করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা থেকে দ্রুত উত্তরণের লক্ষ্যে এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে একটি ‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন’ প্রস্তাবনা গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবনায় মহামারীতে শ্রমিক শ্রেণি; বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরসনে তাদের কভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর (পিপিই) প্রাপ্যতা এবং যথাযথ বেতন-ভাতার সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
গতকাল শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব শ্রমবাজার ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে পৃথিবীর সব দেশের সব মানুষের জন্য সময়োচিত ও সাশ্রয়ী কভিড টিকার ন্যায়সঙ্গত প্রাপ্যতার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কভিড-১৯-এর প্রতিকূল প্রভাবে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসমতা দূরীকরণ এবং শ্রমবাজারে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় রাষ্ট্রগুলোকে যথাযথ সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাকে অধিকতর কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। তাছাড়া মহামারীকালীন ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে, বিশেষ করে নারী, বৃদ্ধ ও অভিবাসীদের জন্য বিশেষ কর্মপন্থা প্রণয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর আলোকপাত করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ কমিটিতে সভাপতিত্ব করেন।
একই সময়ে কমিটিতে বাংলাদেশ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়কের ভূমিকাও পালন এবং এ অঞ্চলের মহামারী সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে তা মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করে।