কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে শুল্ক স্টেশনগুলো

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে দেশের শুল্ক স্টেশনগুলো। কাল সোমবার থেকে সাত দিনের জন্য আবারও কঠোর লকডাউন পালন করা হবে। এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট ও শপিং মল বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী যান ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে এনবিআরের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন বলেন, দেশে জরুরি সেবার অংশ হিসেবে বরাবরের মতো এনবিআরের আওতাধীন সব শুল্ক স্টেশন খোলা থাকবে। তবে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ অনুসরণ করে চলবে স্টেশনগুলো। যদিও প্রজ্ঞাপন জারির পর সিদ্ধান্ত হবে কীভাবে শুল্ক স্টেশনগুলো চলবে।

এনবিআর থেকে আরও জানা যায়, করোনার কারণে ২০২০ সালেও সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়। ওই সময় এনবিআর থেকে সীমিত পরিসরে চালু রাখার নির্দেশনা দিলেও কাজের প্রয়োজনে কোনো কোনো শুল্ক স্টেশনে দিন-রাত আমদানি-রপ্তানির কাজ করেছে। ঢাকা কাস্টম হাউজ, কমলাপুর আইসিডি কাস্টম, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ ও বেনাপোল কাস্টম হাউজে কাজের চাপ একটু বেশি থাকে। এগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করা হয়েছে। এবারও সেভাবে কাজ চলবে।

দেশের স্থল সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪০০ কিলোমিটার। এর শতকরা ৯২ ভাগ ভারতের সঙ্গে এবং বাকি ৮ ভাগ মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত। পুরো সীমান্তে ছোট-বড় ১৮১টি শুল্ক স্টেশন আছে যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন। এর মধ্যে ২৪টি শুল্ক স্টেশন গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া দেশে ১২টি স্থলবন্দর চালু রয়েছে।