কুচক্রী মহল দেশে মাদকের বাজার তৈরি ও বিস্তারের পাঁয়তারা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ মাদক উৎপাদন করে না। কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে পাচার হয়ে এদেশে মাদক ঢুকছে।’
গতকাল শনিবার দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার’ শীর্ষক ভাচুর্য়াল আলোচনায় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘মাদক পাচার একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সমস্যায় বাংলাদেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। মাদক পাচার রোধে পার্শ্ববর্তী ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করেছি।’
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। মাদকের কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তবেই মাদক নির্মূলের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে নতুন নতুন মাদকের আবির্ভাব হচ্ছে। এজন্য মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রত্যেক বিভাগ ও জেলায় একটি করে মাদক নিরাময় কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু করেছি। শিক্ষা থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের শুরুতে সর্বত্র ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা গেলে মাদকের আগ্রাসন কমে আসবে।’
আলোচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) মোহাম্মদ আহছানুল জব্বার প্রমুখ অংশ নেন।