রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৫নং পন্টুনের প্লেট দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ভাঙা। পন্টুন ভাঙা থাকলেও কোনো নজরদারি নেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষের।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পন্টুনের প্লেট ভাঙা থাকায় ঝুঁকি নিয়েই তার ওপর দিয়ে ওঠানামা করছে শত শত ছোটবড় যানবাহন। ফলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
শনিবার সরেজমিন ৫নং ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, পন্টুনের প্লেটে বড় ভাঙা রয়েছে। সেই ভাঙার ওপর দিয়ে বিভিন্ন যানবাহনকে ঝুঁকি নিয়ে ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে। পন্টুনের দুই পাশের প্লেটে বড় ধরনের ভাঙা থাকায় যে কোনো সময় এখানে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তা ছাড়া ভাঙা প্লেটের কিছু অংশের ওপর ইটের সুরকি দিয়ে রাখা হয়েছে।
তবে বেশি ভারী যানবাহনগুলো বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো পাশের প্লেটটি ব্যবহার করছে। আর ছোট ছোট যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়েই ফেরিতে উঠছে। ভারী যানবাহন প্লেটের ওপর উঠলেই প্লেট ভেঙে নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পণ্যবাহী ট্রাক চালক আলতাফ হোসেন বলেন, আমি প্রায়ই এই নৌরুট দিয়ে যাতায়াত করি। অনেক দিন ধরে এই পন্টুনের প্লেট এভাবে ভাঙা দেখছি। আস্তে আস্তে প্লেটটি আরও বেশি ভাঙছে। এভাবে ভাঙতে থাকলে এখানে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কর্তৃপক্ষের উচিত ভাঙা পন্টুন অতি দ্রুত মেরামত করা, তাদের উদাসীনতার জন্য যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, আমরা অতি দ্রুত এই ভাঙা পন্টুন মেরামতের জন্য কাজ করছি। দু-এক দিনের মধ্যেই পন্টুনের ভাঙা প্লেটের মেরামত কাজ শুরু হবে।