বিশ্বব্যাপী গত বছর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বায়ু ও সৌর প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এসব প্রকল্প সস্তায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে নতুন কয়লা কারখানার মাধ্যমে সস্তায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল রিনিউবল এনার্জি এজেন্সির (ইরেনা) তথ্য অনুযায়ী, বায়ু ও সৌর প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে এর চেয়েও কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। ইরেনার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানায়, গত বছর সৌরবিদ্যুতের ব্যয় কমেছে ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে ‘অনশোর উইন্ড’ ও ‘অফশোর উইন্ড’র ব্যয় কমেছে যথাক্রমে ১৩ ও ৯ শতাংশ। ইরেনার মহাপরিচালক ফ্রান্সেসকো লা কামেরার মতে, বর্তমানে নবায়নযোগ্য উপাদানগুলো সস্তায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস। বায়ু ও সৌর প্রকল্পগুলো কম কার্বন নিঃসরণেও সক্ষম। প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়লা কারখানার ভর্তুকিযুক্ত পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস দ্বারা প্রতিস্থাপন হলে প্রতি বছর জ্বালানি খাতে ৩২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ব্যয় সাশ্রয় সম্ভব। এ ছাড়া বার্ষিক হারে ৩ গিগাটন কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ এড়ানো যাবে। ইরেনার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আসছে বছরগুলোয় পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যয় আরও কমবে। আগামী দুই বছরের মধ্যেই নতুন কয়লা বিদ্যুৎ কারখানাগুলোর চেয়ে নতুন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বেশি ব্যয়সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে। ইরেনার প্রতিবেদনে বলা হয়, সাশ্রয়ী মূল্যে পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস কেবল বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মেরুদন্ড নয়; এ উৎস ব্যবহার করা যাবে পরিবহন, নির্মাণ ও শিল্প খাতেও।