তাজা ফুল সবারই পছন্দ। ঘর সাজানো ছাড়াও তাজা ফুলের আরও ব্যবহার আছে। নানা গুণে সমৃদ্ধ এসব ফুল শরীরের সুরক্ষায়ও কাজে আসে। জেনে নিন এ বিষয়ে
জবা ফুল : পাচনজনিত সমস্যা, নারীদের প্রজনন সমস্যা মোকাবিলা করতে, ডায়াবেটিস ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে জবা ফুল ব্যবহার করা হয়। এই ফুলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য থাকায় এতগুলো সমস্যা সমাধানে এটি কার্যকর। জবার রস, চা এবং অন্যান্য খাবারের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ল্যাভেন্ডার : ল্যাভেন্ডারে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মাধ্যমে এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, পেশির স্প্যামগুলোও দূর করতে এবং চুলের জন্যও এই ফুল উপকারী। এ ছাড়া বেকড রুটি, সালাদ সাজাতে এবং মিষ্টান্ন তৈরিতেও ল্যাভেন্ডার ব্যবহৃত হয়।
গোলাপ : গোলাপ ফুলের অনেক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গোলাপকে অনেকগুলো ভিটামিন এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বাদ বাড়াতে অনেক খাবারের ব্যবহার আছে।
রোজমেরি : রোজমেরি সাধারণত গার্নিশিং হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, এবং ভিটামিন-সি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
গাঁদা ফুল : গাঁদা ফুলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলো পেটের নানা সমস্যা মোকাবিলায় সক্ষম।
জুঁই : স্বাদ বাড়াতে অনেক মিষ্টি খাবারে জুঁই ফুল ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য উপস্থিত থাকায় শরীরের নানা সমস্যা সমাধানে এর ব্যবহার আছে।
সূর্যমুখী : সূর্যমুখী ফুলের ভেতরে অনেক খনিজ ও ভিটামিন পাওয়া যায়। কেবল সূর্যমুখী ফুলই নয় এর ডালপালা এবং কুঁড়িও সরাসরি ব্যবহার করা হয়। অনেক দেশে খাবার তৈরিতে এই ফুল নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।