জিম্বাবুয়ে সিরিজ স্মরণীয় করে রাখতে চায় টাইগাররা

জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার ভোরে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ টেস্ট দল। সফরে একটি টেস্ট এবং তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। ‍শুধুমাত্র ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটাররা যাবেন পরে।

কাতার এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ভোর ৪টা ২৫মিনিটে দেশ ছাড়ে মুমিনুল হকরা। ২০১৩ সালের এই প্রথম জিম্বাবুয়ে সফরে গেল বাংলাদেশ। সফরটি স্মরণীয় করে রাখাই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য।

সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ও দুই ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ ১-১ এ ড্র করলেও, তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাম্প্রতিক পারফরমেন্স ও আধিপত্যের পরও আসন্ন সিরিজে বাংলাদেশকে ফেভারিট বলা যাচ্ছে না। কারণ নিজেদের কন্ডিশনে সব সময়ই শক্তিশালী আফ্রিকার দলটি।

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখনো নিজেদের সেরাটা দিতে পারছেন না বাংলাদেশ। তাই এই দুই ফরম্যাটে জিম্বাবুয়ের সামনে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে টাইগারদের।

ওয়ানডে সিরিজটি আইসিসি সুপার লিগের অংশ। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটে বেশিরভাগ ম্যাচেই জয় পেয়েছে টাইগাররা।

তবে একমাত্র টেস্টকে সামনে রেখে এই সফরের আগে বড় সংস্করণে কোনো ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) খেলেছিল তারা। যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং তাই এমন প্রস্তুতিকে আদর্শ হিসাবে গণ্য করা যায় না।

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক বলেন, ‘অস্বীকার করার কোন উপায় নেই, একমাত্র টেস্টের জন্য আদর্শ প্রস্তুতি হয়নি। তবে আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি আমরা পুরো শক্তির দল নিয়ে খেলতে পারি এবং আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি, তবে আমরা আশা করি ম্যাচটি জিততে পারব। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে যে কোনো দলের ভালোভাবে প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ কম। ফরম্যাট অনুযায়ী আপনাকে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে এবং মানিয়ে নিতে হবে।’

অন্যান্য সিরিজের মতো এই সিরিজও জৈব-সুরক্ষা বলয়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে হারারেতে পৌঁছে মাত্র এক দিন কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ হবে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে মাঠে।

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সাথে ছুটি কাটানো তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান সেখান থেকে জিম্বাবুয়েতে দলের সাথে যোগ দেবেন।

দুই দিনের অনুশীলন ম্যাচ দিয়ে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করবে বাংলাদেশ। যা অনুষ্ঠিত হবে ৩-৪ জুলাই।

একমাত্র টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে ৭ জুলাই। ১৬ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। পরের দুটি ওয়ানডে ম্যাচ ১৮ ও ২০ জুলাই।

ওয়ানডে শেষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। ২৩, ২৫ ও ২৭ জুলাই হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচ।