ঢাকা শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক আয়ুব আলীর সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি কেন অবৈধ হবে নাÑ এ মর্মে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। আয়ুব আলীর বিরুদ্ধে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ তুলে ওই হাসপাতালের এক চিকিৎসকের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।
চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, ঢাকা শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী গোলাম রব্বানী শরীফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
আইনজীবী গোলাম রব্বানী দেশ রূপান্তরকে জানান, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য শিশু সার্জারি বিভাগের ডা. সাব্বির করিম ও আরেক সহকারী অধ্যাপক ডা. আয়ুব আলী আবেদন করেন। পরে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান ডা. আয়ুব আলী। রিট আবেদনকারী হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. সাব্বির করিমের অভিযোগ, পদোন্নতির জন্য আয়ুব আলীর দেওয়া জার্নালের মধ্যে তিনটি জার্নাল অন্য ব্যক্তির প্রকাশিত জার্নালের সম্পূর্ণ বা আংশিক নকল, যেটি আইনত অবৈধ এবং রোগীর গোপনীয়তা ভঙ্গের শামিল। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ওই হাসপাতাল পরিচালক বরাবর আবেদন করা হলেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাইকোর্টে এ আবেদনটি করা হয়।