উচ্চতা ও যোগ্যতা এবং মূল্যায়নে কেন্দ্রের সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে নিয়োগে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। কনস্টেবল নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে আসন্ন ১০ হাজার সদস্য নিয়োগে উল্লিখিত বিষয় কঠোরভাবে মেনে চলতে চায় পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের ওপর নানা চাপের মধ্যে কনস্টেবল নিয়োগে বেশি তদবিরের চাপ সামলাতে হয় তাদের। এবার সেই চাপ সামলাতে ভিন্ন আঙ্গিকে যাচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তর। এই নিয়ে আইজিপির নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। এবারের নিয়োগে কোনো নয়-ছয় হলে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি আইনের আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। বর্তমানে ২ লাখ ১৩ হাজার ১৮৬ জন পুলিশ রয়েছে। তার মধ্যে কনস্টেবল আছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৮৫৪ জন। দেশের জনসংখ্যার তুলনায় ৭৫১ জনের বিপরীতে মাত্র একজন পুলিশ নিরাপত্তা দিচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহার পরই নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করার কথা রয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে নিয়োগ কার্যক্রমে সময় পরিবর্তন হতে পারে। এবার সবকটি জেলায় ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ঈদের পর জারি হতে পারে। এজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিয়োগসংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ৬৪ জেলার এসপিদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। প্রথমবারের মতো এবার প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র দেখবে জেলার পুলিশ সুপারের পরিবর্তে পুলিশ সদর দপ্তর। তাছাড়া প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার জেলা পুলিশের পাশাপাশি থাকবেন পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা। মহিলা ও পুরুষের আগের চেয়ে লম্বায় ২ ইঞ্চি বেশি উচ্চতা থাকা প্রার্থীদের বাছাই করার ব্যাপারে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এইচএসসি ও বিএ পাসধারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবার। আগে এসএসসি পাস করলেই কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়ে যেত। প্রার্থী বাছাই করার সময় পুলিশ সদর দপ্তরের চৌকস কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে টিম একাধিক ৬৪ জেলায় চষে বেড়াবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে কোনো মহল, প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা ও অর্থের লেনদেন করলে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তার প্রার্থিতা তাৎক্ষণিক বাতিল করে দেবে নিয়োগসংক্রান্ত কমিটি। এমনকি জেলার এসপিদের মোবাইল ট্র্যাক করাসহ তাদের নজরদারি করবে পুলিশ সদর দপ্তর। পাশাপাশি তদবিরবাজদের আইনের আওতায় আনারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ৯ হাজার ৬৮০ জন কনস্টেবল নিয়োগে কিছুটা সফলতা পেয়েছিলেন তৎকালীন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ওই নিয়োগের সময় তিনিও কঠোর ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনও প্রশংসাপত্র দিয়েছিলেন। তদবিরের সঙ্গে জড়িত পুুলিশসহ অন্তত ৪০ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তারপরও নিয়োগে হয়েছিল নানা অনিয়ম। এ নিয়োগের পর পুলিশে আর কনস্টেবল নিয়োগ হয়নি।
সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে নানা অনিয়ম হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। ঘুষ লেনদেনই হচ্ছে বেশি। নানা চেষ্টা করেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। কনস্টেবল নিয়োগের অধিকর্তা হচ্ছেন জেলার পুলিশ সুপার। প্রতিটি নিয়োগেই রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী-এমপিসহ আমলা ও নানা পেশার ব্যক্তিদের তদবির থাকে পুলিশের ওপর। তাছাড়া একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যও তদবির চালান। এসব কিছুর নেপথ্যেই থাকছে আর্থিক লেনদেন। এবারের নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করতে পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেও ইউনিটগুলোকে দেওয়া হয়েছে বেশকিছু নির্দেশনা। দালাল ও অসাধু চক্রের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার না হতে চাকরিপ্রত্যাশীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট থেকে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরপরই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে সচেতনতামূলক প্রচারণার বিজ্ঞাপন। কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর আগেই পুলিশ মহাপরিদর্শক সব রেঞ্জের ডিআইজি ও পুলিশ সুপারদের স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তা নিয়ে তিনি বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন।
ওইসব বৈঠকে উপস্থিত থাকা পুলিশের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, কঠোর প্রক্রিয়ার মধ্যে এবারের কনস্টেবল নিয়োগ হবে। দুর্নীতি ও তদবিরের বিরুদ্ধে আইজিপি জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছেন। যারা যোগ্য তারাই যেন পুলিশে চাকরি পান সেদিকে নজর দিতে বলেছেন। রাজনৈতিক নেতারা তদবির করলে তা কৌশলে এড়িয়ে যেতে বলেছেন। মোট কথা তিনি বলে দিয়েছেন, তদবিরবাজদের এড়িয়ে চলতেই হবে। পুলিশের মধ্যে থেকে যারা এসব অপকর্ম করে তাদের একটি তালিকা করা হয়েছে। পাশাপাশি সবকটি জেলায় একাধিক স্তরে নজরদারি রাখতে বেশ কয়েকটি টিম গঠন করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, পুলিশ ইন্টারনাল ওভারসাইট, রেঞ্জ ডিআইজির নজরদারি কমিটি, পুলিশ সদর দপ্তরের দুই থেকে তিনজন পুলিশ সুপার (এসপি) ও চার-পাঁচজন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ৬৪টি বিশেষ টিম। যাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই তাদেরই ওইসব টিমের সদস্য করা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মী বা মন্ত্রী-এমপিদের অনৈতিক তদবির করলেও এবার লাভ হবে না। আগের আইজিপি নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ৫০ ভাগ সফল হয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান আইজিপি বলে দিয়েছেন শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্যেই কনস্টেবল নিয়োগের ব্যবস্থ্া করতে হবে। কোনো মহল, নেতা বা বিশেষ ব্যক্তিদের কোনো ধরনের তদবির চলবে না। পুলিশের কোনো সদস্য যদি নিয়োগের সঙ্গে অনিয়ম, দুর্নীতি বা কারোর তদবির শোনেন তাদের চাকরিচ্যুত করার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি তদবিরবাজদের প্রমাণাদিসহ গ্রেপ্তার পর্যন্ত করতে পিছপা হবে না পুলিশ সদর দপ্তর। ঈদের পরপরই কার্যক্রম শুরু হবে। তবে করোনা পরিস্থিতির ওপর অনেককিছু নির্ভর করবে।
অ্যাডিশনাল আইজিপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের জায়গা থেকে এবার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বেশকিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেকোনো অনিয়ম খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা টিম জেলায় জেলায় কাজ করবে। তিনি আরও বলেন, সামান্য অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। অনেক ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। কনস্টেবল নিয়োগ নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এবারের নিয়োগটি হবে ভিন্ন আকারের। অনেককিছুই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে আমাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি পদমর্যাদার আরেক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আসন্ন কনস্টেবল নিয়োগ নিয়ে ডিআইজি ও এসপিদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইজিপি। এই নিয়ে একাধিকবার মিটিং হয়েছে। অনেক জেলার পুলিশ সুপাররা নিজেরাই মোটা অঙ্কের টাকা পেয়ে নিয়োগ দিয়ে থাকেন বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি অতীতে। আবার তদবিরবাজরা থাকে সক্রিয়। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০৩ টাকা দিয়েই প্রার্থীরা পুলিশে চাকরি নিতে পারবে। যোগ্যরাই পুলিশে ঢুকবে। এইচএসসি বা তার বেশি পাস করেছেন তাদের বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আগে এসএসসি পাস হলেই কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেত। প্রার্থীদের (পুরুষ-মহিলা) উচ্চতায় আগের চেয়ে ২ ইঞ্চি বেশি প্রার্থীদের নেওয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধায় কোঠায় যারা প্রার্থী হবেন তাদের ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হলেই চলবে। তবে এ কোটায় নারীদের রাখা হয় না। রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি পুলিশও তদবিরবাণিজ্য করার চেষ্টা করেছে। কেউ সফল হয়েছে। আবার কেউ ধরা খেয়েছে। আইজিপির নিজস্ব গোয়েন্দা সেলও এবার কাজ করবে। বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দিতে ডিআইজি ও এসপিদের বলা হয়েছে। অনিয়ম করলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, বগুড়া, খুলনা, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল, কুষ্টিয়া, রংপুর, মাদারীপুর, সিলেট, গাইবান্ধা, বরিশাল, কুমিল্লা, ভোলা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, সিলেট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, রংপুর, নড়াইলসহ অন্তত ৪৫টি জেলায় তদবিরবাজদের তৎপরতা বেশি বলে পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চাকরি দেওয়ার কথা বলে তদবিরবাজরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের কনস্টেবল নিয়োগ হবে অন্যরকমভাবে। স্বচ্ছতার মধ্যে থেকে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে তদবির করলেই নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে রেঞ্জের সব পুলিশ সুপারকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশে প্রায় ১০ হাজার কনস্টেবল (ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল-টিআরসি) নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সম্প্রতি এক চিঠির মাধ্যমে সদর দপ্তরের এআইজি (রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-২) মো. নাসিরুল ইসলাম এই নির্দেশনা দেন। চিঠিটি এসপি ছাড়াও দেশের সব বিভাগের ডিআইজিদের পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে কনস্টেবল পদে অধিক যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থী নির্বাচনের জন্য আসন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে তাদের শারীরিক সহনশীলতা পরীক্ষা (ফিজিক্যাল এন্ডুরেন্স টেস্ট) নেওয়া হবে। তার মধ্যে রয়েছে নারী ও পুরুষ আবেদনকারীদের জন্য ২০০ মিটার দৌড় (নারী), ১০০০ মিটার দৌড় (পুরুষ), লং-জাম্প, হাই-জাম্প, পুশ-আপ, রোপ ক্লাইম্বিং এবং ড্রাগিং পরীক্ষা। এসব পরীক্ষার আয়োজনে দ্রুত স্থান নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের শেষের দিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব ও যোগ্যতাসংক্রান্ত কিছু মানদন্ড নির্ধারণের কারণে তা পিছিয়ে যায়। কয়েক বছর ধরে কনস্টেবল পদে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদন্ড ছিল কমপক্ষে জিপিএ-২.৫-সহ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। তবে এবার যোগ্যতার মানদন্ড কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে। কনস্টেবল পদে আবেদনের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা এইচএসসি ও বিএ পাসধারীদের প্রাধান্য থাকবে বেশি। এবার নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চতা ও বুকের মাপে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে। এতদিন পুরুষদের কনস্টেবল হওয়ার জন্য উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফিট ৫ ইঞ্চি ও নারীদের জন্য ৫ ফিট ২ ইঞ্চি ছিল। এবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নারীদের উচ্চতার মানদন্ডে ৫ ফিট ৪ ইঞ্চি ও পুুরুষদের ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি করা হবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। বর্তমানে পুলিশে ২ লাখ ১০ হাজারের কিছু বেশি সদস্য রয়েছেন। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধাপে ধাপে আরও ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।