যশোরে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং এই রোগের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৬ জন।

এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সকলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ওয়ার্ডে (রেড জোনে) ভর্তি ছিলেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আরিফ আহমেদ জানান, রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ৬ জনের সবাই নারী। তাদের বয়স ৪৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে।

মৃতদের মধ্যে একজন নড়াইলের লোহাগড়া, একজন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এবং অপর চারজন যশোরের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। 

এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও দশজন।

তিনি আরও জানান, যশোর জেনারেল হাসপাতালের রেড জোনে সোমবার মোট ভর্তি রয়েছেন ১২৬ জন। আর ইয়েলো জোনে আছেন ৮৬ জন।

যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেহনেওয়াজ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৮৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ শতাংশ।

এদিকে যশোরের লকডাউন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন। সোমবার দুপুরে জেলার বিভিন্ন চেকপোস্ট ঘুরে দেখেন তিনি।

এ সময় তার সাথে ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়াদ্দারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বর্তন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে ডিআইজি বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। দেশের মানুষকে ভালো রাখতে পুলিশ কাজ করে যাবে।

অপরদিকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা দিল আকিজ গ্রুপ।

সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আকিজ গ্রুপের পরিচালক ও যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য আফিল উদ্দিন

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামানের কাছে মেশিনগুলো হস্তান্তর করেন।

এ সময় তিনি বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালে আজকে ৪টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা দেওয়া হলো। প্রয়োজনে আরও সরবরাহ করা হবে।

হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন প্রমুখ।