নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে নিজ পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আ. আজিজ (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার বিকেলে উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের পাল্লা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত আজিজ ওই গ্রামের প্রয়াত আবু সাঈদ ভূঁইয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন লেগুনাচালক। আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, অভিযুক্ত আজিজের ছেলে আকাশের সঙ্গে ৫ মাস আগে বিয়ে হয় ভুক্তভোগী ওই নারীর। বিয়ের পর থেকেই একসঙ্গে থাকার সুবাদে ভুক্তভোগীকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল আজিজ। এতে বাধা দিতে চাইলে ওই নারীকে নানা ধরনের ভয়ভীতিও দেখাত সে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জুন ছেলে ও স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় পুত্রবধূর কক্ষে প্রবেশ করে আজিজ। ওই সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সে। এরপর একই কায়দায় আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। সবশেষ গত সোমবার বিকেলে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে পুত্রবধূকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে আজিজ। সেসময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। এরপর আজিজকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করে তারা। এ ঘটনায় নিজেই বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। গ্রেপ্তার আজিজকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এক শিশুকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাইমাইল এলাকার ওই ঘটনায় মামলা হওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে মো. মুকুট মিয়া (২৬) নামে এক অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া নগরীর টঙ্গীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পোশাক শ্রমিক এক তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে। পূর্ব আরিচপুর এলাকার ওই ঘটনায় গত সোমবার কমল চন্দ্র মল্লিক (৪০) নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণী।
কোনাবাড়ীর ঘটনায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই ওই শিশুকে ফুসলিয়ে নিজ বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে মুকুট মিয়া। পরে মেয়েটি এ ঘটনা তার পরিবারকে জানালে মুকুটকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় ভুক্তভোগীর স্বজনরা। এতে সে রাজি না হওয়ায় থানায় মামলা করে তারা। গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার ওসি আবু সিদ্দিক জানান, গতকাল দুপুরে আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. জাবেদ মাসুদ জানান, গত ২৬ ডিসেম্বর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে তার বাসায় ধর্ষণ করে কমল। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে কমলকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে ওই মেয়ে। কিন্তু বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোয় কমলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর থেকেই পলাতক রয়েছে সে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা এলাকায় চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছরের মানসিক ভারসাম্যহীন এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে সাত্তার মিয়া (৫২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে শিশুটির পরিবার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি এমরানুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।