স্পিডবোট-বাল্কহেড সংঘর্ষে নদীতে ডুবে মা-মেয়ের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় স্পিডবোট-পাথরবাহী নৌকা সংঘর্ষে দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত রয়েছেন আরো একজন।

নিহত জোসনা বেগম (৩৪) তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের রতন শ্রী গ্রামের বরুজ মিয়ার স্ত্রী ও তার মেয়ে রুমি (৮)। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খানের মেয়ে রিনা বেগমকে (২৯) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে উপজেলার বাদাঘাট বাজার থেকে ঈদের কেনাকাটা শেষে স্পিডবোট চালক বরুজ মিয়া তার স্ত্রী মেয়েসহ আট যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে পাটলাই নদীতে পৌঁছালে অপরপ্রান্ত থেকে ছুটে আসা একটি পাথরবাহী বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারালে বোটে থাকা সবাই পানিতে ডুবে যান। পরে ডুবে যাওয়া আট যাত্রীর মধ্যে ছয়জন পাড়ে উঠতে পারলে মা ও তার আট বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা প্রায় দেড় ঘণ্টা খুঁজাখুঁজি করে মা ও মেয়েকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মো. আব্দুল লতিফ তরফদার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাথরবাহী বাল্কহেড নৌকাটি আটক করা হয়েছে দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।