খুলনার পাঁচটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে দুজন, শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালে একজন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে একজন, বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন এবং গাজী মেডিকেল হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতরা হলেন- সাতক্ষীরার তালার মফিজুর রহমান (৫২) ও গোপালগঞ্জ কোটালিপাড়ার আবদুল মজিদ (৮০)।
হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১২১ জন। এদের মধ্যে রেড জোনে ৪১ জন, ইয়েলো জোনে ৪৭ জন, আইসিইউতে রয়েছে ২০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চারজন।
খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর বয়রা কলেজ রোডের মো. ফজলুর রহমান (৭৯) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪৫ জন। এদের মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন একজন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন একজন।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নগরীর টুটপাড়ার আব্দুস সাত্তার (৭২) নামে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন।
সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীর পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার গোলাম মোস্তফা (৯০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫৮ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন আটজন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ছয়জন।
গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতরা হলেন- বাগেরহাটের ফকিরহাট পাগলা শ্যামনগর এলাকার সোনিয়া (৩৫) ও কচুয়া এলাকার সুকান্ত দাস (৬৫)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো ৬৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৪ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন।