শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, এবারের কোরবানির চামড়া নিয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়নি। লবণ দিয়ে যথাসময়ে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণে পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ ছিল। কোনো চামড়া নষ্ট হয়নি।
তিনি বলেন, জেলা, বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং ও টিমওয়ার্কের কারণে চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন ও সংরক্ষণে চামড়া ব্যবস্থাপনায় এবার সুফল এসেছে। এ বছর প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে চালানো হয়েছে। ফলে আমরা কোরবানির চামড়া ব্যবস্থাপনায় সুফল পেয়েছি।
গতকাল রবিবার শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদুল আজহা পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি এসব কথা বলেন তিনি।
শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। আরও বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনের অতিরিক্ত সচিব শিবনাথ রায়, বিসিআইসি চেয়ারম্যান শাহ মো. ইমদাদুল হক, বিসিক চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান এনডিসি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো. গোলাম ইয়াহিয়া।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারীর মধ্যেও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সবাইকে কাজ করতে হবে। শিল্প খাত সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিপালন করে সুস্থ থাকতে এবং সচেতন হতে হবে।
শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির চামড়া কীভাবে সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করতে হবে এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ায় এ বছর কোনো অভিযোগ পাইনি। এবার চামড়া সংরক্ষণ, স্থানান্তর ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শিল্প মন্ত্রণালয় সফল হয়েছে। ব্যবসায়ীরাও চামড়ার সঠিক দাম পেয়েছেন।