বন্দর চেয়ারম্যানকে চিঠি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের

অফডক থেকে কন্টেইনার খালাসে হয়রানির আশঙ্কা

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমতির পর সব ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে পাঠানো শুরু হয়েছে। তবে বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো থেকে অননুমোদিত কন্টেইনার খালাসে হয়রানির আশঙ্কা করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। অনুমোদিত পণ্যের কন্টেইনার পরিবহন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অননুমোদিত পণ্যের কন্টেইনার অফডক থেকে খালাসের অনুমতি না দিতে বন্দর চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবরে পাঠানো  চিঠিতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাচ্চু বলেন, কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসনে অনুমোদিত পণ্যের অতিরিক্ত কন্টেইনার বেসরকারি আইসিডি থেকে খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে লক্ষণীয়, অননুমোদিত পণ্য স্থানান্তর পরবর্তীকালে তা অফডক থেকে খালাসে আরোপিত শর্তগুলো প্রতিপালনে আমদানিকারককে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে হয়রানির শিকার হতে হবে। চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারি আইসিডি থেকে খালাসযোগ্য পণ্যের কন্টেইনার স্থানান্তরে স্বাভাবিক সময়েই বিলম্ব হয়। ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার একক কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকে। শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস নিতে হয়। তার ওপর অতিরিক্ত পণ্য স্থানান্তরের সুযোগ দেওয়া হলে আরও জটিল আকার ধারণ করবে। বর্তমান লকডাউন চলাকালীন গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের হয়রানির সীমা থাকবে না।