সংঘর্ষে দোহাজারীতে স্কুলশিক্ষক নিহত

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে বাহাদুর আলম (৬৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহতরা হলেন খোরশেদ আলম (৪০), জুনায়েদ সালেহ (২৬), আহামদুর রহমান রিপন (৩০), কাউচার (৩৪), আনচারুল আলম (২১) ও মিজানুর রহমান (২৭)।

গত বুধবার বিকেলে পৌরসভার চাগাচর ২নং ওয়ার্ডের আহামদুর রহমান চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকার ফজর আলী মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাহাদুর আলম দোহাজারী জামিজুরী আহামদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃত আহামদুর রহমানের ছেলে এবং ওই বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় মৌরশী সম্পত্তি নিয়ে প্রতিপক্ষ খোরশেদুল আলমের সঙ্গে কাউচারের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি-কিলঘুসি মারতে থাকলে উভয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় নিহত মাস্টার বাহাদুর আলম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দোহাজারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।

চন্দনাইশ থানার ওসি নাসির উদ্দীন সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ১ নম্বর আসামি সৈয়দ মোহাম্মদ খোরশেদ আলমকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে তিনজনসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার রাতে বারদী ইউনিয়নের আলগীরচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সোনারগাঁ থানায় মামলা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন আলগীরচর গ্রামের সাদেকুর রহমানের পক্ষের মনির হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, সাহিদা ও বিদ্যুৎ এবং হাবিবুর রহমান পক্ষের হাবিব, জিয়া, জামির, আবেদা, জাহানারা ও সামিয়া। এদের মধ্যে সাদেকুর রহমানের পক্ষের মনির ও দেলোয়ার এবং সাহিদা টেঁটাবিদ্ধ হন। তিনজনকেই সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাদেক ও হাবিবের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে হাবিবের জমিতে দেয়াল নির্মাণ ও লিচুগাছ লাগাতে গেলে সাদেক বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্বিত-ার একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।