বেলকুচিতে হত্যা রহস্য উন্মোচন

ত্রিভুজ প্রেমের বলি হন দোকান কর্মচারী

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার চরবেলকুচি গ্রামের বেকারি দোকানের কর্মচারী মো. শাহ আলমকে (৩৫) ত্রিভুজ পরকীয়ার জেরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার লাশ গুমের উদ্দেশ্যে দুর্গম যমুনা নদীর চরের শণের ভেতর ফেলে দেওয়া হয়। পাঁচ বছর পর গত বুধবার সিরাজগঞ্জ সিআইডি পুলিশ এ চাঞ্চল্যকর হত্যা রহস্য উন্মোচন করেছে। নিহত শাহ আলম বেলকুচি উপজেলার বওড়া গ্রামের মৃত জামাল মোল্লার ছেলে। হত্যায় জড়িত জুলহাস ওরফে জুলু (৫৭) নামে একজনকে গত ৩ আগস্ট গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সিরাজগঞ্জ সিআইডির ইন্সপেক্টর সাখাওয়াত হোসেন জানান, একই গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা কাকলি বেগমের (৩৫, ছদ্মনাম) সঙ্গে শাহ আলমসহ তিনজনের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি শাহ আলম জানতে পেরে কাকলিকে গালাগাল ও ওই দুজনকে তার কাছে আসতে বারণ করেন। এতে কাকলিসহ ওই দুই প্রেমিক ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি রাতে কাকলির সঙ্গে দেখা করতে এসে তার বিছানায় ঘুমিয়ে পড়ে শাহ আলম। এ সুযোগে কাকলি ও তার দুই প্রেমিক বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে শাহ আলমকে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে দুর্গম যমুনা নদীর চরের শণের ভেতরে ফেলে দেয়। ঘটনার দুদিন পর ২৭ জানুয়ারি বেলকুচি থানা চর থেকে শাহ আলমের লাশ উদ্ধার করে।