৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত যুক্তরাষ্ট্রে

শনাক্ত কভিড রোগী ও মৃত্যুতে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের নতুন ঊর্ধ্বগতি দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরেই দেশটি আছে দৈনিক শনাক্তের শীর্ষে। দেশটিতে সপ্তাহ ব্যবধানে শনাক্ত বেড়েছে ৪১ শতাংশের বেশি। একই সময় মৃত্যুও বেড়েছে অন্তত ৩৬ শতাংশ। এর মধ্যে গত বুধবার ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১ লাখের ঘর।  বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক হিসাবে বলা হয়েছে, বুধবার দেশটিতে ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৯ জনের দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা গত ৬ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। নতুন এই রোগী মিলিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৭১ জনের। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৬ লাখ ৩১ হাজার ২৯৯ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৯৭ লাখ ৮৭ হাজার ৩১৬ জন।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার ৭৮২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৩২১ জন। আর ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৯ লাখ ৬৭ হাজার ২২৩ জন।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। তবে মৃত্যুর দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটি। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৫ জনে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২৬ হাজার ৫৩৩ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ৮৮ লাখ ৮৮৪ জন।

তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া, পঞ্চম ফ্রান্স, ষষ্ঠ যুক্তরাজ্য, সপ্তম তুরস্ক, অষ্টম আর্জেন্টিনা, নবম কলম্বিয়া, দশম স্পেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। এরপর ২২০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি। 

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২০ কোটি ৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৬৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৭৭ জন। তবে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৮ কোটি ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫ জন।