এসপির বাংলোতে গুলিবিদ্ধ হয়ে কনস্টেবলের মৃত্যু

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদারের সরকারি বাংলো থেকে মেহেদী হাসান (২২) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রমনার শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণির ওই বাংলোতে এ ঘটনা ঘটে। এসপি মারুফ হোসেন সরদার বাংলোতেই ছিলেন।

পুলিশের ভাষ্য, কনস্টেবল মেহেদী নিজের অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেছে অথবা দুর্ঘটনাবশত নিজের অস্ত্রেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

মেহেদী হাসানের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আনেহেলা গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল হানিফ। তার কনস্টেবল নাম্বার ১৩২৫। ঢাকা জেলা পুলিশে কর্মরত সে। থাকত পুলিশের মিলব্যারাকে।

মেহেদীকে উদ্ধারকারী পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ঢাকা জেলার এসপির বাংলোর মূল ফটকে দায়িত্বে ছিল মেহেদী। সেখানে সেন্ট্রিদের বসার রুমের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয় সে। থুতনি দিয়ে গুলি ঢুকে মাথা দিয়ে বের হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধারকারীরা। তখন সে নড়াচড়া করছিল না। পাশেই পড়ে ছিল তার ব্যবহৃত চায়না রাইফেল। সেটি উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসি টিভি ক্যামেরা থাকলেও ওই স্থান ক্যামেরার আওতার বাইরে ছিল বলে জানায় পুলিশ। ফলে প্রকৃত ঘটনা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  

এসপি মারুফ হোসেন সরদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বাংলো থেকে সেন্ট্রি ডিউটিতে থাকা এক কনস্টেবলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় আমি বাসায় বাচ্চাদের সঙ্গে ছিলাম।’