শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে টিকিয়ে রাখতে এ খাতের টেকসই উন্নয়ন দরকার। এ জন্য পরিবেশসম্মত উপায়ে এ খাতের উন্নতি করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পে সব বাধা দূর করে এগোতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উৎপাদন খাত করোনার নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর মধ্যে লকডাউনের প্রথম পর্যায়ে পোশাক খাতে রপ্তানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও এখন আবার সচল হতে শুরু করেছে।
গতকাল ‘সাসটেইনেবল ফ্যাশন টেক্সটাইল প্রডাকশন ফ্রেমওয়ার্ক অ্যান্ড ইটস ইমপ্লিমেন্টেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা জানান তিনি। ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্চ ফান্ড (জিসিআরএফ) কিউআর-২০২১ প্রজেক্টের’ প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও ম্যানচেস্টার ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের ফ্যাকাল্টি ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম এতে সভাপতিত্ব করেন। শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে যেতে টেক্সটাইল ও রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়ন অনিবার্য। এ লক্ষ্যে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ খাতের টেকসই উন্নয়নে ব্যাপক গবেষণা প্রয়োজন। সে সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিশিয়ানদের মধ্যে যোগসূত্র বাড়াতে হবে।