করোনায় আটকে থাকা চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়েছে। এর জন্য নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এরপরও অনেক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা বোর্ড কর্র্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফির বাইরে অর্থ আদায় করলে প্রতিষ্ঠানের ফরম পূরণ প্যানেল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘এইচএসসির ফরম পূরণে গলাকাটা ফি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর এমন ব্যবস্থা নেওয়া হলো।
প্রথমবারের মতো এবার এইচএসসির ফরম পূরণ করা হচ্ছে অনলাইনে। গত ১২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) এ কার্যক্রম শুরু হয়, চলবে ২৫ তারিখ পর্যন্ত। ফরম পূরণ শেষে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফি জমা দিতে পারবেন। চলতি বছর কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। এজন্য ফরম পূরণের ফি কমিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১ হাজার ১৬০ এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের জন্য ১ হাজার ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ বাবদ বোর্ড নির্ধারিত ফি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ২৪ মাসের বেশি (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন) বেতন আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে আসতে বলা যাবে না।
এতে আরও বলা হয়, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের ফরম পূরণ প্যানেল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজধানীর একটি বেসরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাসরিফা খান পুষ্প জানান, কলেজ থেকে আগের বেতনসহ ফরম পূরণে ১৫ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু এত টাকা পরিশোধ করে আমার এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে না।