স্কুলছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় দশম শ্রেণি পড়–য়া এক স্কুলছাত্রীকে (১৭) রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দল বেঁধে ধর্ষণ ও মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বাবুনগর এলাকার ওই ঘটনায় গতকাল শনিবার ভোরে আব্দুর রহমান (২৮) ও ইব্রাহিম (২২) নামে অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গত শুক্রবার রাতে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা করে ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবার।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত শুক্রবার দুপুর ৩টার দিকে প্রতিবেশী এক বান্ধবীর কাছ থেকে অনলাইন পরীক্ষার নোট আনতে যাচ্ছিল ওই কিশোরী। পথে তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আব্দুর রহমান। পরে নির্মাণাধীন একটি ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে সে। এরপর মেয়েটিকে সেখান থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় এবং বন্ধু একই গ্রামের ইব্রাহিমকে ফোন করে ডেকে আনে আব্দুর রহমান। তারপর মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিওচিত্র মোবাইল ফোনে ধারণ করে ওই দু’জন। একপর্যায়ে মেয়েটির কানে থাকা সোনার দুল ও নাকফুল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেয় তারা। 

নোয়াখালী জেলার এসপি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পরপরই মাঠে নামে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দু’জনকে গতকাল দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।

এদিকে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় বাকপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে গতকাল দুপুরে রতন মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গফরগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবার। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত শুক্রবার সকালে উপজেলার উথুরী গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েটিকে বাড়িতে রেখে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায় পরিবারের লোকজন। পরে মেয়েটি বাড়ির পাশে উথুরী শিববাড়ী বাজারসংলগ্ন রতন মিয়ার দোকানে গেলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। গফরগাঁও থানার ওসি অনুকূল সরকার জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আজ রবিবার আদালতে পাঠানো হবে।