১৪১ ডিফেন্ডেই খুশি রিয়াদ

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বুঝলেন উইকেটের চরিত্র। ম্যাচ যত এগিয়েছে উইকেট তত ভালো হয়েছে ব্যাটিংয়ের জন্য। তাই ১৪২ রানের টার্গেট দিয়ে চিন্তায় ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচটা না আবার হেরে বসেন। তা অবশ্য হয়নি। উত্তেজনার ম্যাচটিতে ৪ রানের জয়ে দুশ্চিন্তা দূর হয় অধিনায়কের। তাই জানালেন, এই উইকেটে ১৪১ ডিফেন্ড করতে পারাই বড় সাফল্য।

লিটন দাশ ও নাঈম শেখের উজ্জ্বল শুরুকে কৃতিত্ব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। দু’জনের ৫৯ রানের জুটি বাংলাদেশের কাছে সন্তুষ্টির। তবে ফ্লাডলাইটের আলোয় বোলাররা যে স্নায়ু সামলে সেরাটা দিয়েছেন সেটাও খাটো করার উপায় নেই অধিনায়কের, ‘উইকেট আজকে বেশ ভালো ছিল, আগের ম্যাচের তুলনায়। দিনের বেলায় যখন আমরা ব্যাট করেছি, তখন স্পিন ধরছিল। বাউন্সও একটু উঁচু-নিচু হচ্ছিল। কিন্তু ফ্লাডলাইটে আমার মনে হয় আস্তে আস্তে উইকেট ভালো থেকে আরও ভালো হচ্ছিল। বোলাররা খুবই ভালো বোলিং করেছে। এই উইকেটে ১৪০ (আসলে ১৪১) ডিফেন্ড করতে পেরেছে। কৃতিত্ব বোলারদের।’

নিকটঅতীতে পিছিয়ে পড়েও বা কঠিন অবস্থা থেকে ম্যাচ বের করে আনতে পারছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ ক্লোজ হয়ে যাওয়াকেই স্বাভাবিক বলেন মাহমুদউল্লাহ। এমন ম্যাচগুলোতে জিততে পারছেন এটাই বাংলাদেশ অধিনায়কের সন্তুষ্টি, ‘টি-টোয়েন্টি খেলায় এই ধরনের চ্যালেঞ্জে কম-বেশি প্রায়ই মুখোমুখি হতে হবে। আপনি বোলিংয়ে থাকেন বা ব্যাটিংয়ে... অনেক সময় ব্যাটিংয়ে থাকলে ১২ বলে ২০ বা ১২ বলে ২৪ রান তাড়া করা লাগতে পারে। অন্যদিকে বোলারদের হয়তো শেষ দিকে কোনো টোটাল ডিফেন্ড করা লাগতে পারে, এক ওভার বা দুই ওভারে। যেটা আজকে মোস্তাফিজ অসাধারণভাবে করেছে এবং খুব ভালোভাবে শেষ করেছে। এজন্য আমরা ম্যাচটি জিততে পেরেছি।’

সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামলেই ১০০তম টি-টোয়েন্টির মাইলফলক ছোঁবেন মাহমুদউল্লাহ। উপলক্ষ বিশেষ হলেও এ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা করছেন না তিনি, ‘আলাদা কোনো পরিকল্পনা নেই। আমি চেষ্টা করব আমার সবসময় যেটা লক্ষ্য থাকে, দলের জন্য খেলা ও দলে অবদান রাখা, আমি চেষ্টা করব যদি আমি সুস্থ থাকি ও আমার ১০০তম ম্যাচটি খেলতে পারি, দলের জন্য যেন অবদান রাখতে পারি।’

ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোরার টম ল্যাথাম বলেছেন, ‘আগের ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকাটা অসাধারণ। ভালো উইকেট থাকলে ভালো খেলা হয় তার প্রমাণ হলো।’