শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ঘাটতি পূরণে পরিকল্পনা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ঘাটতি পূরণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি শনিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিয়ম শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও পাঠদান বন্ধ থাকেনি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকলেও টেলিভিশন ও অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রেখেছিলাম।

তিনি বলেন, যখন আমরা দেখলাম একটা সংখ্যক শিক্ষার্থীর টেলিভিশন ও অনলাইন ব্যবহারের সুযোগ ছিল না বলে তারা এর থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। তখন আমরা অ্যাসাইনমেন্টের ব্যবস্থা করেছি। এর মাধ্যমে আমরা সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছতে পেরেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খুব স্বাভাবিকভাবে আমরা ষোলআনা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের বিকল্প করতে পারিনি। কোথাও কোথাও তো কিছু ঘাটতি রয়েছেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পরে সেই ঘাটতি পূরণের জন্য আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের রেমিডিয়াল ক্লাসেস করানোসহ নানা ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দিয়েছেন।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, নৌ পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নাসিম আক্তার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।