১৪৪ ধারা ভেঙে ‘এমপি একরামুলের অনুসারীদের’ মিছিল, পুলিশের লাঠিপেটা

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর অনুসারীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করেছে। এ সময় লাঠিপেটা করে পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালী টাউন হলের মোড় থেকে এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর ৫০-৬০ জন অনুসারী শহরে মিছিল বের করে।

মিছিলটি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে লাঠিপেটা করে পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় মিছিলে থাকা সাংসদ একরামুল করিম চেীধুরীর ৫ অনুসারী আহত হন।

ঘটনার পরপরই শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও নোয়াখালী পৌরভবনে লোকজনকে জড়ো হতে দেওয়া হচ্ছে না।

আওয়ামী লীগের বিবদমান তিন পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি আহ্বানকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী পৌর এলাকায় আজ সকাল-সন্ধ্যা ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন।

রবিবার সন্ধ্যায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মোতাবেক এই আদেশ দারি করেন।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, সোমবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলা শহর মাইজদী, দত্তেরহাট, সোনাপুর-সহ পৌর এলাকায় সব ধরনের গণজমায়েত, সভা-সমাবেশ, মিছিল-র‌্যালি-শোভাযাত্রা এবং রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ সময় কোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে ৪ জনের অধিক ব্যক্তি জমায়েত হতে পারবে না। আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাসহ আইন মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা পুলিশ সুপার ম.: শহীদুল ইসলাম জানান, শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত স্বাভাবিক রাখাতে দেড় শতাধিক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিহাব উদ্দিন শাহিন কর্তৃক সমাবেশ করার ঘোষণা দেন। একই সময় কর্মিসভা করার ঘোষণা দেন মেয়র সহিদ উল্লাহ খান।