২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা ব্যর্থ

চট্টগ্রাম বন্দরে দুই কনটেইনার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস। এ চালানের মাধ্যমে ২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

কাস্টমস সূত্র জানায়, কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যামিকেল ফাইবার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড চীন থেকে কাপড় ও কাপড়ের সরঞ্জাম ঘোষণায় বন্ড সুবিধার আওতায় দুই কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর চীনের সাংহাই বন্দর থেকে কন্টেইনার দুটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসলে আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট- আলমগীর অ্যান্ড সন্স লি. পণ্য খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির গোপন সংবাদ পেয়ে কাস্টম হাউস, চট্টগ্রামের এআইআর শাখা কর্তৃক পণ্য চালানটি লক করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়। বৃহস্পতিবার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি, বন্দর নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও অন্যান্য সংস্থার সদস্য ও প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে পণ্য চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়।

কায়িক পরীক্ষাকালে পণ্যগুলো বের করে আনার পর সেখানে মোট ১ কোটি ১৩ লাখ শলাকা সিগারেট পাওয়া যায়। যার আনুমানিক আমদানি মূল্য সাড়ে ৭ কোটি টাকা।

কাস্টমস এর এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম জানান, এ চালানের মাধ্যমে আমদানিযোগ্য ও উচ্চ শুল্কের পণ্য সিগারেট আমদানি করে আনুমানিক প্রায় ২৭ কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা করা হয়।

উল্লেখ্য, এর পূর্বেও বন্দরে অভিনব কায়দায় মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি করা একাধিক সিগারেটের চালান বন্দরের অভ্যন্তরে আটক করা হয়।