যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন এমন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনে ক্রয় প্রস্তাব সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত্র মন্ত্রিসভা কমিটিতে যাবে। গত বুধবার প্রতিমন্ত্রীদের এ ক্ষমতা দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নিজে। এগুলোর মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মো. ফরহাদ হোসেন, বিদ্যুৎ জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে নসরুল হামিদ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ফজিলাতুন্নেছা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবারের পরিপত্রের মাধ্যমে এই তিন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও ১০ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান, নৌপরিবহন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, পানিসম্পদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, সংস্কৃতি বিষয়ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়।
আগে এসব মন্ত্রণালয় থেকে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যেসব প্রস্তাব যেত তাতে এসব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন থাকত। এখন প্রতিমন্ত্রীরা সরাসরি এসব কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, পূর্ত ও ভৌত কাজের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয় ১০০ কোটি টাকা করে, পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উন্নয়ন কাজে ১০০ কোটি টাকা, অনুন্নয়ন কাজে ৫০ কোটি টাকা এবং উন্নয়নমূলক পরামর্শক সেবার জন্য ৩০ কোটি টাকা, অনুন্নয়ন পরামর্শক সেবা ক্রয়ে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদনের ক্ষমতা মন্ত্রীর হাতে রয়েছে। তিন খাতে নির্ধারণ করে দেওয়া টাকার বেশি হলে তা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন নিতে হয়।