ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় নাসিরুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। গত সোমবার উপজেলার ভাঙবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গতকাল শুক্রবার দুপুরে নিজবাড়ি থেকে নাসিরুলের শাশুড়ি সেলিনা বেগমকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নাসিরুল গরির পরিবারের সন্তান। তার সঙ্গে উপজেলার ভাঙবাড়ি গ্রামের করিমুলের মেয়ে কেয়ামুনির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি পালিয়ে গিয়ে তারা বিয়ে করেন। এরপর কেয়ামুনিকে ফেরত দিতে তার পরিবার ছেলের পরিবারকে চাপ দিতে থাকে। এজন্য তারা দুজনের বিয়ে মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। একপর্যায়ে কেয়ামুনিকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে আসেন নাসিরুল।
গত সোমবার বিকেলে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে শ্বশুরবাড়ি যান নাসিরুল। এ সময় শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে। ভিডিওতে দেখা গেছে, কেঁদে কেঁদে ছেড়ে দেওয়ার আকুতি জানালেও নাসিরুলকে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন তার শাশুড়ি সেলিমা বেগমসহ অন্যরা।
নির্যাতনের এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থল থকে নাসিরুলকে উদ্ধার করে রানীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
রানীশংকৈল থানার ওসি জাহিদ ইকবাল জানান, স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে নাসিরুলকে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে।