অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র সাহা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর চেয়ারম্যান। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের এই অধ্যাপক ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে এনসিটিবি’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি দেশে নতুন শিক্ষাক্রম প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রম এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সম্পাদকীয় বিভাগের এহ্সান মাহমুদ
দেশ রূপান্তর : প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রম বিষয়ে সংক্ষেপে জানতে চাই।
নারায়ন চন্দ্র সাহা : দেশে চলমান শিক্ষাক্রমের বাইরে গিয়ে একটি নতুন শিক্ষাক্রম আমরা ইতিমধ্যে প্রস্তাব দিয়েছি। এই শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ থেকে। নতুন শিক্ষাক্রম তৈরির আগে দেশি-বিদেশি কারিকুলাম পর্যবেক্ষণ করেছি। এসব দেখে আমরা একটি চাহিদাপত্র তৈরি করেছি প্রাথমিকভাবে। অর্থাৎ কোন কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাাধিকার দিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম প্রস্তুত করা যায়, সেসব নিয়ে কাজ করেছি। এর আগে ২০১২-তে যে শিক্ষাক্রম হয়েছিল, সেটি গত প্রায় দশ বছরে বিভিন্ন সময়ে পরিমার্জন হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রম প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে আমাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হয়েছে। এছাড়া আমাদের যে লক্ষ্য, এসডিজি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশনা রয়েছে, ২০৪১ এর যে ভিশন, সেই আলোকে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর একটি কারিকুলাম তৈরি করতে চেয়েছি আমরা। সেজন্য একটি যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম আমরা প্রস্তুত করেছি। জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন যাতে ঘটানো যায়, সেই আলোকে আমরা নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করেছি।
আগামী বছর থেকে প্রথম এবং ষষ্ঠ এই দুই শ্রেণির জন্য পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে। পরের বছর (২০২৩ সাল) থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী সব শ্রেণির জন্য নতুন পাঠ্যবই হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে ধারাবাহিক মূল্যায়নের (শিখনকালীন) ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটিরও পরিবর্তন হচ্ছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে এক দিনের স্থলে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে ভাষা ও যোগাযোগসহ শেখার জন্য ১০টি ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো শিক্ষকরা ‘শিক্ষক গাইডের’ আলোকে শিক্ষার্থীদের সমন্বিতভাবে অনুশীলন করাবেন। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর জন্য আটটি বিষয় ঠিক করা হয়েছে। এগুলো হলো বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ধর্মশিক্ষা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতি। তবে সব বিষয়ের জন্য শিক্ষার্থীরা বই পাবে না। এর মধ্যে এখনকার মতো প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য বাংলা, ইংরেজি এবং গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই পাবে। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতেও এখনকার মতো ছয়টি বই থাকবে। এগুলো হলো বাংলা, ইংরেজি, গণিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ধর্মশিক্ষা। বাকি দুটি বিষয় শিক্ষকরা শিক্ষক গাইডের আলোকে পড়াবেন। বর্তমান শিক্ষাক্রম অনুযায়ী এখন ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ১২ থেকে ১৪টি বই পড়ানো হয়। নতুন শিক্ষাক্রমে ১০টি বিষয়ে ১০টি বই থাকবে।
উচ্চমাধ্যমিক স্তরে (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি) বিষয় ও পাঠ্যবইয়ে বড় পরিবর্তন আসছে। বর্তমান শিক্ষাক্রম অনুযায়ী সব শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক বাংলা, ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি পড়তে হয়। নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি একটি সমন্বিত বিষয় (শিল্প ও সংস্কৃতি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা ইত্যাদি কয়েকটি বিষয় নিয়ে তৈরি) বাধ্যতামূলক থাকবে। এছাড়া বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিকে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা তিনটি বিভাগের প্রতিটিতে তিনটি বিষয় নির্ধারিত থাকে। কিন্তু নতুন শিক্ষাক্রমে একজন শিক্ষার্থী চাইলে তিন বিভাগ থেকে তিনটি বিষয় নিয়েও পড়ার সুযোগ পাবে। উচ্চমাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে ২০২৬ সাল থেকে।
দেশ রূপান্তর : নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হয়েছে কি?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : নতুন শিক্ষাক্রম তৈরির আগে আমরা শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সচিব, মন্ত্রী, সংসদীয় কমিটি, শিক্ষা-গবেষক ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবী যেমন এফবিসিসিআই, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, সাংবাদিক, আইনজীবী এমন পেশার লোকদের মতামত জেনেছি। তারপর এর একটি রূপরেখা সর্বসাধারণের জন্য এনসিটিবির ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। তার আলোকে আমরা এটি প্রস্তুত করেছি।
দেশ রূপান্তর : আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সংখ্যা তুলনামূলক কম। এবারের প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান-মানবিক-বাণিজ্য থাকছে না। এতে করে বিজ্ঞান শিক্ষায় আরও শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার একটা আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। এই বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : এটি আসলে ঠিক নয়। আমরা চেয়েছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের বৈশি^ক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে। বৈশি^ক এই অর্থে যে, শিক্ষার্থীরা কোনো কিছু করতে চাইলে তাদের প্রতিযোগিতা করতে হবে বিশে^র অন্য নাগরিকদের সঙ্গে। তাদের তাই বিশ্বমানের হয়ে ওঠার কোনো বিকল্প নেই। পনের, ষোলো বছর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর একই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তাদের যেভাবে গণিত শিখতে হবে, বিজ্ঞান শিখতে হবে, ব্যবসায় শিক্ষা শিখতে হবে একইভাবে মানবিক ও কলাও শিখতে হবে। আর উচ্চশিক্ষায় কেবল বিজ্ঞান নয়, সব শিক্ষাই স্বাভাবিকভাবে চলবে। নতুন প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম কোনোভাবেই বিজ্ঞান শিক্ষায় বাধা হবে না। এই শিক্ষাক্রমের মূল বিষয় হচ্ছে দক্ষতাভিত্তিক জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করা। অর্জিত জ্ঞান যখন দক্ষতায় রূপান্তর করা যাবে সেটাই হবে শিক্ষার সফলতা।
দেশ রূপান্তর : দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষায় রয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমে এদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমটি সব ধারার শিক্ষাব্যবস্থাকে মাথায় রেখেই প্রণয়ন করা হয়েছে। কারিগরি, মাদ্রাসাসহ সব মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখেই এটি করা হয়েছে।
দেশ রূপান্তর : প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম বিশে্বর অন্যান্য দেশের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? এটা কীভাবে যাচাই করা হয়?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : এটি প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা বিশ^ায়নের কথাটি বেশ গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখেছি। কীভাবে আগামীর শিক্ষার্থীদের বিশ^মানের করে গড়া যায়, সেই আলোকেই কিন্তু এটি করা হয়েছে। বিশে^র ১৩২টি দেশের কারিকুলাম আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। সেই আলোকে আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে যেগুলো বাস্তবায়নযোগ্য সেসব নিয়েই এই শিক্ষাক্রমটি করা হয়েছে।
দেশ রূপান্তর : ২০১০ সালে সবশেষ একটি শিক্ষানীতি হয়েছিল। সেই শিক্ষানীতি প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে সমান কার্যকর হবে কিনা?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : ২০১০ সালের যে শিক্ষানীতি রয়েছে সেখানে বেশকিছু বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। আমরা সেই শিক্ষানীতির নির্দেশনা মেনেই নতুন শিক্ষাক্রম প্রস্তুত করেছি। চলমান শিক্ষানীতি তাই প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে বিঘœ ঘটাবে না। শিক্ষানীতি ছাড়াও দেশের সংবিধান অনুযায়ী শিক্ষার অধিকার এবং বর্তমান সরকারের শিক্ষা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারকেও শিক্ষাক্রম প্রণয়নে বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
দেশ রূপান্তর : বিগত কয়েক বছর যাবৎ বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পায়। এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু পাঠ্যবইতে ভুল ছাপা এবং মানহীন বাঁধাইয়ের ঘটনা এসব অর্জনকে কিছুটা হলেও ম্লান করে। এ থেকে পরিত্রাণের উদ্যোগ কী?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : আপনি যেটি বললেন, সেটি শতভাগ সত্য নয়। প্রতি বছর প্রায় ৩৬ কোটি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ বই ছাপাতে গিয়ে অল্পকিছু মুদ্রণজনিত ভুল হতে পারে। আর এটি যেহেতু একটি চলমান প্রক্রিয়া, তাই একটি দুটি বানান, বাক্যগঠন নিয়ে আপত্তি হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্যের পরিবর্তন হতে পারে। এটা প্রতি বছরই পরিমার্জন করা হয়। কিন্তু অনেক সময় গণমাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের ভুল নিয়ে নানারকম সংবাদ প্রকাশ হয়, পরে আমরা সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেছি যেসব ভুলের কথা বলা হয়, সেগুলো সব সত্য নয়।
দেশ রূপান্তর : করোনা মহামারীর প্রভাবে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ ছিল। এই ঘাটতি কাটিয়ে নিতে আপনাদের উদ্যোগ কী?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : দেশে করোনার প্রভাবে যখন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হলো, সেই সময় থেকেই আমরা শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় অনলাইন, সংসদ টিভি, আমার ঘর আমার স্কুলসহ বিভিন্ন মাধ্যম ও পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষাকার্যক্রম চালু রেখেছি। শিক্ষাকার্যক্রম একেবারই বন্ধ কখনো ছিল না।
দেশ রূপান্তর : অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা দেশের সব শিক্ষার্থীর ছিল না। বিশেষ করে, প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী যারা রয়েছে...
নারায়ন চন্দ্র সাহা : শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার জন্য শ্রেণিকার্যকম এখনো সবচেয়ে ভালো পদ্বতি। করোনার জন্য আমরা সেটি পারিনি। তবে এখন এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। অ্যাসাইনমেন্ট-ভিত্তিক শিক্ষা আমরা আরও বেশ কিছুদিন আগেই শুরু করেছিলাম। শিখন ঘাটতি যেটুকু হয়েছিল, তা কাটিয়ে তুলতে কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। এখন সীমিত পরিসরে শ্রেণিশিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আশা করি, আগামী সপ্তাহ থেকে শ্রেণিশিক্ষা কার্যক্রম আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। এসব করা গেলে করোনার ঘাটতি কাটিয়ে ওটা সম্ভব হবে।
দেশ রূপান্তর : প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে কী কী চ্যালেঞ্জ আছে বলে মনে করেন?
নারায়ন চন্দ্র সাহা : যেকোনো পরিবর্তন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেই কিছুটা চ্যালেঞ্জ থেকে যায়। নতুন শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রেও সব শিক্ষকদের পরিবর্তিত শিক্ষাক্রম জানানোটাই একটা বড় কাজ বলে মনে করি। আমি মনে করি, নতুন এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শুরুর আগেই শিক্ষকদের এই বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং শিক্ষার উদ্দেশ্য ভালোভাবে বুঝতে হবে। নতুন শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাইকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদেরও সম্পৃক্ত করা হবে। একজন শিক্ষার্থী পাঠ্যপুস্তকে হয়তো শিখলযেখানে সেখানে থুতু ফেলা যাবে না। এখন দেখতে হবে এই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে সেটা মানছে কিনা? অর্থাৎ তার অর্জিত শিক্ষা সে দক্ষতার সঙ্গে পালন করছে কিনা? এক্ষেত্রে অভিভাবক সেটি মূল্যায়ন করবেন। এই নতুন শিক্ষাক্রমে একটি জিনিস বদলে যাচ্ছে, সেটি হলো আগে যেটি পরীক্ষা হতো, এখন সেটি হবে মূল্যায়ন। অর্থাৎ, একজন শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়িত হবে। সহপাঠীদের দ্বারা, শিক্ষকদের দ্বারা এবং অভিভাবকদের দ্বারা তারা মূল্যায়িত হবে।