ধামাকার ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা

ফেইসবুক পেজে বিভিন্ন ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ডের মাধ্যমে পণ্য কেনার অফার দেয় ধামাকা শপিং ডটকম নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের অফারে সাড়ে ১১ লাখ টাকার পণ্য অর্ডার দিয়েও না পাওয়ায় প্রতারণা মামলা করেছেন এক ক্রেতা।

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানার উত্তর আউচপাড়ার পোশাক কারখানার পার্টস ব্যবসায়ী মো. শামীম খান গত বৃহস্পতিবার এ মামলা করেন।

মামলায় ধামাকার চেয়ারম্যান ডা. এম আলী ওরফে মোজতবা আলী (৬০), এমডি জসিমউদ্দিন চিশতী (৫৭), সিইও সিরাজুল ইসলাম রানা, প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা দেবকর দে শুভ (৩২), নাজিম উদ্দিন আসিফ (২৮), এজিএম হেড অব অ্যাকাউন্টস সাফোয়ান আহমেদ (৪১), ডেপুটি ম্যানেজার আমিরুল হোসাইন (৪৬), আসিফ চিশতী (২৬), সিস্টেম ক্যাটাগরি হেড ইমতিয়াজ হাসান (৩৫), ভাইস প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম স্বপন (৩৫) ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরোধ বারান রায়কে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।

শামীম খান জানান, গত ২০ মার্চ ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড পরিচালিত ধামাকা শপিং ডটকম তাদের ফেইসবুক পেজে বিভিন্ন ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ডের মাধ্যমে পণ্য কেনার অফার দেয়। হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে অর্ডারের ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। এরপর ৮৪টি ইনভয়েসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য অর্ডার বাবদ ১১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ে পণ্য না পেয়ে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে পণ্যের বদলে এমডি ও পরিচালক অপারেশন স্বাক্ষরিত সাউথইস্ট ব্যাংকের ১১ লাখ ৫৫ হাজার টাকার দুটি চেক দেওয়া হয়। টাকা তুলতে গেলে ব্যাংক কর্র্তৃপক্ষ জানায় অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। গত ৫ আগস্ট সিইও সিরাজুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি হুমকিধমকি দেন। এরপর গত ৫ সেপ্টেম্বর মহাখালীর কার্যালয়ে গিয়ে সেটি তালাবন্ধ পান। সম্প্রতি পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে খবরের মাধ্যমে বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এজন্য প্রতিকার পেতে মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, ‘শামীম খান ধামাকার কর্মকর্তাদের নামে প্রতারণা মামলা করেছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’