ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিন সাংবাদিকসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদল কসবা উপজেলা যুবদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করে গত ১২ জুন। ৩০ দিনের মেয়াদ দিয়ে কমিটি অনুমোদন হলেও তা প্রকাশ করা হয় গত ১২ সেপ্টেম্বর। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন আগের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন ও তার অনুসারীরা। তারা নতুন আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে নিয়মিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছেন কসবা উপজেলা সদরে। তাদের দাপটে গত ১৫ দিনেও মাঠে নামতে পারেনি নতুন আহ্বায়ক কমিটি।
অবশেষে নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা সদরের বাইরে একটি আনন্দ মিছিল বের করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক ভূইয়া। উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের আদ্রা অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বের করা আনন্দ মিছিলটি কিছুদূর যাওয়ার পর পুলিশ বাধা দেয়। যুবদল নেতাকর্মীরা পুলিশি বাধা অতিক্রম করলে পুলিশের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল হক ইমুকে আটক করেছে।
কসবা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক ভূইয়া বলেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে আমাদের শান্তিপূূর্ণ মিছিলে বাধা দিয়েছে। পুলিশের হামলায় আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে।
কসবা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘যুবদলের নামে’ যারা মিছিল করেছে তারা অবৈধ কমিটির। তাদের জনভিত্তি নেই, নেতাকর্মীরাও তাদের সঙ্গে নেই। তাই তারা শহরের বাইরে গিয়ে মিছিল করেছে।
কসবা থানার ওসি আলমগীর ভূইয়া জানান, কোনো ধরনের অনুমোদন বা অবগত না করে যুবদলের নতুন কমিটির লোকজন মিছিল বের করে। তাদের দুদলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা হতে পারে মনে করে আমরা বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা করে।