বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচনী তফসিলের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্তে একটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই নির্বাচনের ওপর দুই মাসের স্থগিতাদেশসহ রুল দেয়।
বিএফইউজের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনাসহ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস গত ২৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল ও মো. নুরুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিএফইউজের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলন হয়। ওইদিন সংগঠনের নির্বাচনের জন্য আগামী ২৩ অক্টোবর ধার্য করা হয়। নির্বাচনে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিএফইউজে।
অ্যাডভোকেট তীর্থ সলিল পাল দেশ রূপান্তরকে জানান, বিএফইউজের ভোটার তালিকায় হাসান ফেরদৌসের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে সেটি জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট। শ্রম সচিব, শ্রম অধিদপ্তরের মহারিচালক, ট্রেড অর্গানাইজেশনের ঢাকা বিভাগের পরিচালক ও রেজিস্ট্রার এবং বিএফইউজের সভাপতিকে রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট। আইনজীবী বলেন, ‘রিট আবেদনকারী বিএফইউজের সদস্য হওয়ার পরও সবশেষ ভোটার তালিকায় তার নাম নেই। নাম না থাকায় বিএফইউজে এবং শ্রম অধিদপ্তরের নিবন্ধিত সংগঠন হিসেবে শ্রম অধিদপ্তরকে অবহিত করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিকার না পেয়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে এ রিট পিটিশনটি দাখিল করেন তিনি। হাইকোর্ট বিএফইউজে নির্বাচনের তফসিলের ওপর দুই মাসের স্থগিতাদেশ দিয়ে তার নাম অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে রুল দিয়েছেন।’