‘অপহরণ খুন করে থ্রি হুইলার ছিনতাই করতেন তারা’

ব্যাটারিচালিত তিন চাকার গাড়ি ছিনতাই করতে বাড়ির সাহেব দারোয়ান বেশ ধারণসহ অভিনব কৌশল গ্রহণ করে সংঘবদ্ধ চক্রটি। অপহরণ, খুনও করে তারা।

আড়াই শতাধিক গাড়ি ছিনতাই করে হজম করার পর ফতুল্লার আব্দুল কদ্দুছের মিশুক ছিনতাই করে পিবিআই এর হাতে ধরা পড়ে ওই চক্রের মূলহোতাসহ ছয় সদস্য। সন্ধান মেলে চোরাই গাড়ি বিক্রির পাঁচটি গ্যারেজের।

বুধবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

আটকরা হলেন- বন্দর থানার ধামগড় ইউনিয়নের চৌরার বাড়ির মৃত আব্দুল সালামের ছেলে সিদ্ধিরগঞ্জ হীরাঝিল এলাকার ভাড়াটিয়া শাহ আলম (৩৮), বরগুনা জেলা সদরের আমতলীর মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে হালিম (৪২), পিরোজপুর জেলার কাউখালী থানার জোলাগাতির আব্দুল খালেকের ছেলে মো. শহিদুল (৩২), বরগুনা জেলা সদরের বউঠাকুরানী এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীর ভাড়াটিয়া বাদশা (৪৭), সোনারগাঁ থানার আট নম্বর ওয়ার্ড হাতুরাপাড়ার সালাম মিয়ার ছেলে মো. আসলাম (৩০) ও একই থানার তিন নম্বর ওয়ার্ড পেঁচাইন এলাকার মৃত আলী আকবরের ছেলে মো. মনির (৪০)।

পিবিআই পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম জানান, চলতি মাসের ছয় তারিখে ফতুল্লার আব্দুল কুদ্দুছকে অজ্ঞান করে তার মিশুক ছিনতাই করে চক্রটি। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী রীনা খাতুন থানায় জিডি করেন।

থানা-পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই জিডি সূত্র ধরে ছায়া তদন্ত শুরু করে।

পিবিআই এসআই মাজহারুল ইসলাম ও শাকিল হোসেন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোনারগাঁ, আড়াইহাজার, ঢাকা ও নীলফামারী জেলার ডিমলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।

তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ভিকটিমের মোবাইল ফোন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে তারা তিনটি পদ্ধতিতে ব্যাটারিতচালিত আটোরিকশা, ইজিবাই ও সিএনজি ছিনতাই করে। ছিনতাই করতে গিয়ে তারা চালককে হত্যাও করে।