দুই প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য বিভাগের ঢিলেমি

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পরপরই উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণ চিহ্নিত করা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ল্যাবরেটরিসহ স্বাস্থ্যসেবার নানা অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া দুই প্রকল্পেই অনুমোদনের পরপরই অর্থছাড়ও শুরু হয়। এ ক্ষেত্রেও অন্যান্য প্রকল্পের মতোই ধীরগতির ধারা থেকে বের হতে পারেনি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবায়নকারী সংস্থার আন্তরিকতার অভাবেই কাজগুলো আগায়নি। অথচ এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে করোনায় সংক্রমণ মৃত্যু কিছুটা হলেও কমিয়ে আনা সম্ভব হতো।

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে করোনা মোকাবিলায় দুই প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ কভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেনডামিক প্রিপার্ডনেস’ শীর্ষক প্রকল্পে ১০ কোটি ডলার বা ৮৫০ কোটি টাকা অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ^ব্যাংক। ওই মাসেই দাতা সংস্থাটির সঙ্গে সরকারের চুক্তিও হয়।

একই সময়ে এডিবির ১০ কোটি ডলারের ঋণসহায়তা নিয়ে ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ‘বাংলাদেশ : কভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট’ নামের আরেকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ওই মাসেই এই প্রকল্পেরও ঋণচুক্তি হয়।

বিশ^ব্যাংক সূত্র জানায়, প্রকল্প পাসের এক মাস পর থেকেই অর্থছাড় শুরু করে ধারাবাহিকভাবে তা চলতে থাকে। পরে চলতি বছরের মার্চে এসে টিকা কেনা বাবদ চুক্তির আওতায় বর্ধিত ঋণ হিসেবে আরও ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে সংস্থাটি।

 প্রাথমিকভাবে বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পের আওতায় দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও একটি সমুদ্রবন্দরে চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা এখনো সম্ভব হয়নি। ৩৮টি জেলায় অক্সিজেন পাইপলাইনব্যবস্থাসহ ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) স্থাপনে এখনো কোনো খবর নেই। করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য গাড়ি ভাড়ার চুক্তি হয়েছে গত ১০ আগস্ট, অর্থাৎ চুক্তি করতেই ১৬ মাস সময় লেগেছে। নির্বাচিত ৩০টি হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট সিস্টেম স্থাপন করার কথা থাকলেও টেন্ডারেই যেতে পারেনি বাস্তবায়নকারী সংস্থা।

প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রগতি কম হওয়া প্রসঙ্গে আইএমইডির পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন খাত-৫-এর মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনা আঘাত হানার পরপরই এ দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল সরকার। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বাস্তবায়ন অত্যন্ত হতাশ করেছে। এ সময়ে বলার মতো কোনো অগ্রগতি আসেনি। এ জন্য দেড় বছর পারে এসেও সরেজমিনে তদন্ত করে দেখার মতো কিছু নেই।’

আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রকল্প দুটিতে উল্লেখ করার মতো কোনো অগ্রগতি না থাকলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কী হবে?’

তিনি বলেন, ‘এ দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি থাকলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যে প্রাণহানি হলো, তার কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। কিন্তু কেন বাস্তবায়ন হচ্ছে না, সেটা বাস্তবায়নকারী সংস্থা বলতে পারবে।’

তবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. হেলাল উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রকল্প পাস হলেই তা বাস্তবায়ন শুরু হয় না। বেশ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। টিকা পাওয়া যায়নি বিধায় টিকার টাকা পড়ে আছে। পিপিই ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এখন প্রকল্পের কাজে গতি এসেছে। বিস্তারিত জানতে তিনি প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।

বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাবেক উপদেষ্টা ডা. মাজহারুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রকল্পের আওতায় নেওয়া কার্যক্রমগুলো সঠিক সময়, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমত। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় এ-সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর পেছনে আরও দুটি কারণ হলো বাস্তবায়নকারী সংস্থার অপচয় ও দুর্নীতি। করোনা সংকট মোকাবিলায় প্রকল্পের আওতায় কেনাকাটার ব্যাপারে আন্তরিক হলে মানুষের মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব ছিল।

তিনি বলেন, একসময় পূর্ব তিমুর, ভুটান, মালদ্বীপের স্বাস্থ্যসেবা ও ব্যবস্থাপনা খুব খারাপ ছিল। এসব দেশ এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ পারেনি।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অদক্ষতা ও অক্ষমতা বহু পুরনো। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগ বরাবরই উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে পিছিয়ে রয়েছে। ২০২০ সালের মহামারী করোনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছে, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কতটা নাজুক। স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা অর্জনে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে কী কী হওয়ার কথা : প্রকল্পটির কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২০৮ কোটি টাকা ব্যয় করার কথা ছিল। পরের ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪১১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বলে ডিপিপিতে বলা হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুসারে, কোনো বছরই অর্থ ব্যয় পরিকল্পনা মাফিক হয়নি, অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

গত অর্থবছর টিকা কেনা খাতে খরচ হয়েছে মাত্র ১৫০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আর কিট ও পিপিই কেনার খাতে মাত্র ৬৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে; অর্থাৎ টাকা আছে, কিন্তু ব্যয় হচ্ছে না নানা ধরনের প্রক্রিয়াগত জটিলতায়। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলার ৩০টি হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট সিস্টেম স্থাপন চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৩৮টি জেলায় অক্সিজেন পাইপলাইনব্যবস্থাসহ ১০ শয্যার আইসিইউ স্থাপন, দেশের ২৭টি সদর হাসপাতালে ২০ বেডের আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ৫ শয্যার আইসিইউ স্থাপন, পিসিআরসহ আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও একটি সমুদ্রবন্দরে চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে ৩০০ ভেন্টিলেটর, মহাখালী ডিএনসিসি কভিড হাসপাতালের জন্য ২২০ আইসিইউ বেড, ২ হাজার অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর পিপিই, মাস্ক, বডি ব্যাগ, গ্লাভস, গগলস (চশমা), অ্যাপ্রোন। এ ছাড়া কভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য টেস্টিং মেশিন এবং কিট সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং বঙ্গমাতা ফিল্ড হাসপাতালের জন্য ৪০টি ভেন্টিলেটর, ২ হাজার অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং ২০টি পালস অক্সিমিটার এখন ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মুখপাত্র মেহরিন এ মাহবুব দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রকল্পের বড় অগ্রগতির মধ্যে মহাখালীতে ডিএনসিসির কভিড হাসপাতাল স্থাপন অন্যতম। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু কেনাকাটা করা হয়েছে। অন্যান্য কার্যক্রম চলছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় হতাশাজনক চিত্রের পেছনে প্রকল্প পরিচালকের অসুস্থতাকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রকল্পের পিডি ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। এখন বাসায় আছি। সুস্থ হলে আবারও পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারব।’ তবে কাজ থেমে নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এডিবির প্রকল্পে কী কী হওয়ার কথা : এডিবির অর্থায়নের প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে এডিবির ঋণ ৮৫০ কোটি টাকা। বাকি ৫১৫ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে। প্রকল্পটি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক আইটেম যেমন পিপিই, মাস্ক, টেস্টিং কিট, আইসিইউ বেড, ভেন্টিলেটরসহ অন্যান্য মেডিকেল যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ২৬টি স্থলবন্দরে প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন ও যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে স্থায়ী স্কিনিং সেন্টার, ১৭টি মেডিকেল কলেজে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট ও ১০ শয্যাবিশিষ্ট ক্রিটিকেল কেয়ার ইউনিট স্থাপন এবং ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনফেকশন কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ইউনিট স্থাপনের কথা ছিল।

এ ছাড়া নির্বাচিত বেশ কয়েকটি জায়গায় পিসিআর মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে আধুনিক বিএসএল ল্যাবরেটরি স্থাপনের কথা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ৫টি সংক্রামক হাসপাতাল, আইইডিসিআর, জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অন্যদিকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে ২৫ বেডের নেগেটিভ প্রেশার ওয়ার্ডসহ একটি ১০০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন ও পরিচালনা, করোনা রোগীর চিকিৎসা সেবার সঙ্গে জড়িত ডাক্তার, নার্স, টেকনোলজিস্টসহ অন্যদের প্রণোদনা প্রদান, সংক্রামক রোগের সেবা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের জন্য ১০টি অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় করার কথা ছিল।

এত দিন পর এসে গত ৪ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রকল্পের আওতায় ৩০টি অক্সিজেন জেনারেটর কেনার প্রস্তাব পাস হয়েছে। প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুসারে, প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনায় বেশ কয়েকটি আইটেমের সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কেনা হবে। তারপরও এসব কর্মকান্ডে খুব একটা অগ্রগতি নেই। এখনো স্থান নির্বাচন ও নকশা প্রণয়ন প্রক্রিয়াতেই রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ডা. মো. নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি এই প্রকল্পের ৪ নম্বর পিডি। এর আগে যারা ছিলেন, তারা কোনো কাজ করে যেতে পারেননি। আমাকে প্রায় নতুনভাবে শুরু করতে হয়েছে। এত দিনে প্রকল্পের একটি অফিস নিতে পেরেছি। এটাও ছিল না।’

তিনি বলেন, প্রকল্পটি পাসের আগে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়নি। ফলে অনেক হাসপাতালে জায়গা পেতে সমস্যা হয়েছে। আবার জায়গা পেলও আইসোলেশন ইউনিট, সিসিইউ স্থাপন এবং ইনফেকশন কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ইউনিট স্থাপনের মতো কাজগুলো করতে আলাদা আলাদা নকশার প্রয়োজন রয়েছে। এখন পর্যন্ত জায়গাপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। কয়েকটির নকশা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া এডিবির কিছু প্রশ্ন ছিল, সেগুলো মীমাংসা হয়ে গেছে। এখন প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা নেই।

এ প্রসঙ্গে এডিবির ঢাকা অফিসের বহিঃসম্পর্ক বিভাগের প্রধান গোবিন্দ বার দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রকল্পটি অনুমোদনের পরপরই অর্থও ছাড় করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রথম দিকে কিছুটা সমস্যা ছিল, কিন্তু এখন স্বাভাবিকভাবে চলছে। তবে প্রকল্পের অগ্রগতি খুব ভালো, সেটা বলা যাবে না।