সিন্ডিকেট থেকে প্রান্তিক পোলট্রিশিল্প রক্ষার দাবি

দেশের সিংহভাগ মাংসের চাহিদা পূরণ করছে পোলট্রিশিল্প। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সোয়া কোটি মানুষ নিয়োজিত। কিন্তু এই শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সয়ামিলের দাম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাচ্চার দামও বেড়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু ডিম ও মাংসের দাম খামারি পর্যায়ে সেভাবে বাড়েনি। এ কারণে দেশের লাখ লাখ প্রান্তিক খামারি কোটি কোটি টাকা লোকসানে পড়েছেন। এর থেকে মুক্তি পেতে সরকারের কাছে ১১টি জাতীয় দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা।

গতকাল শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) হলরুমে বাংলাদেশ এসএমই ফোরামের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ পোলট্রিশিল্প ফোরাম আয়োজিত প্রান্তিক খামারি সভায় পোলট্রিশিল্পের উদ্যোক্তারা ১১ দফা জাতীয় দাবি জানান।

বাংলাদেশ পোলট্রিশিল্প ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশ এসএমই ফোরামের সভাপতি চাষী মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারে অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ ড. শেখ মহ. রেজাউল ইসলাম, প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের মুখ্য বিজ্ঞানী ড. মো. লতিফুল বারী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শত শত ক্ষতিগ্রস্ত খামারি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের পোলট্রিশিল্প সম্ভাবনাময় একটি খাত। এই খাতের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের মাংসের জোগান দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যারা এ খাতের পেছনে থেকে কাজটি করে যাচ্ছেন, আজ তারাই চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এমনকি লোকসান দিতে দিতে অনেক উদ্যোক্তা খামার বন্ধ করে বিপথে চলে যাচ্ছেন।