ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা রাতে উপজেলার কামান্না ও বারইহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ও শৈলকুপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কামান্না গ্রামের রশিদ মেম্বার ও নাহিদ মোল্লার সমর্থকদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
গত বুধবার রশিদ মেম্বারের ছেলে ফারদিনকে মারধর করে নাহিদ মোল্লার সমর্থক আমির হোসেনের ছেলে হামিদুর রহমান। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে হামিদুরের চাচাতো ভাই নাঈম হোসেনকে মারধর করে ফারদিন ও তার ভাই ফাহিম। খবর পেয়ে পুলিশ ফাহিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মারধরের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নাহিদ মোল্লার সমর্থকেরা রশিদ মেম্বরের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ ঘটনার খবর পার্শ্ববর্তী বারইহুদা গ্রামে পৌঁছালে ওই গ্রামের মোকাদ্দেস হোসেন ও নাসির মেম্বরের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায় দাউদ মেম্বার ও সানারউদ্দিনের লোকজন। সেখানেও উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ওই দুই গ্রামে সংঘর্ষ চলে।
শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।