দেশে দেশে কমিক বইয়ের জনপ্রিয় সংস্কৃতি

শিশু-কিশোর তো বটেই, বড়রাও অনেক সময় কমিক পড়তে ভালোবাসেন। কমিকে গ্রাফিকসের সাহায্যে আঁকা ও লেখা গল্প আকৃষ্ট করে পাঠকদের। কিন্তু কীভাবে কমিক বইয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল? নানা দেশের সংস্কৃতিতে কীভাবে জায়গা করে নিয়েছিল কমিকস? লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা

কমিকের যাত্রা

খুব বেশি দিন নয়। মাত্র একশ বছর হলো আমাদের পপ-সংস্কৃতিতে কমিক বই, তাতে সংলাপ ও নানা চরিত্র, সুপারহিরোদের গল্প যুক্ত হয়েছে। প্রতি বছর কমিক বইয়ের ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিলিয়ন ডলারের আয় হয়। শুধু তা-ই নয়, এই বই থেকেই আবার তৈরি হয় সুপারহিরোদের নিয়ে চলচ্চিত্র, নানা ধরনের শো, ভিডিও গেম, নানা পণ্য। কিন্তু এর সবকিছু কীভাবে শুরু হলো? প্রথম কমিক বই বা কোনটি ছিল?

যখন থেকে লেখার প্রচলন হয়, তখন থেকেই মানুষ আর্টের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে লিখত। ধারণা করা হয়, কমিকের আদিরূপের শুরু ১৫ শতকের দিকে, হিরোনিমাস বচের হাত ধরে। তিনি ছবি এঁকে তার সঙ্গে বর্ণনা যুক্ত করে দিতেন। এ নিয়ে অবশ্য নানা তর্ক-বিতর্ক আছে। ১৭ শতকে রাজনৈতিক কার্টুনের শুরু। পরের কয়েক বছরে কমিক নিয়ে অনেক কাজ হয়। যার কারণে আমরা আজকের কমিককে চিনতে পেরেছি। বিশেষ করে ক্যাপশন ও স্পিচ বেলুনের (পাঠককে সহজে বোঝানোর জন্য গ্রাফিক দিয়ে কার্টুন, কমিক এঁকে বিভিন্ন শব্দের ব্যবহার) কারণে। ১৮৪৩ সালে ‘Punch নামে হাস্যকর ছবি যুক্ত করা ম্যাগাজিনটি বেশ পরিচিতি পায়।

১৮৯০ সালে প্রথম খবরের পাতায় কমিক প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি নাম রিচার্ড এফ আউটকল্টের লেখা The Yellow Kid। ১৮৯৫ সালে জনপ্রিয়তার কারণে জোসেফ পুলিৎজারের নিউ ইয়র্ক ওয়ার্ল্ডে কমিকটি প্রকাশিত হতে থাকে। কিন্তু এখানে কমিকটি একেক সময় একেকজন চিত্রশিল্পীর নামে প্রকাশিত হতো। কপিরাইট নিয়ে খুব বেশি আলোচনা না হওয়ায় বন্ধ করা যাচ্ছিল না ছাপানো কমিকের এই দৌরাত্ম্য। পরে দুই পত্রিকা থেকেই ১৮৯৮ সালে এর প্রকাশ হওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯ শতকের সংবাদপত্রে এমন ঘটনাই প্রথম পরিচিতি পায় ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ নামে।

সে সময় যে শুধু The Yellow Kid পরিচিতি পেয়েছিল তা-ই নয়, The Katzenjammer Kids ছিল সে সময়ের জনপ্রিয় আরেকটি কমিক। ১৯ শতকে যাত্রা শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একটানা এটি ভালো লাগা দিয়েছিল দর্শকদের। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শুরু হওয়া Gasoline Alley I Popeye তো এখনো আমাদের সঙ্গে আছে। তবে ১৮৯৭ সালে McFadden’s Flats প্রথম The Yellow Kid প্রিন্ট হয়ে কমিক বুক আকারে প্রকাশিত হয়।

তবে এখানেও ইতিহাসবিদদের তর্ক আছে। একে প্রথম কমিক বুক হিসেবে মেনে নিতে অনেক ইতিহাসবিদের দ্বিধা আছে। তাদের বেশির ভাগের মতে, সুইস অনুকরণশিল্পী রডলফ টফারের ‘The Adventures of Obadiah Oldbuck’ (সুইস ভাষায় Histoire de M. Vieux Bois) প্রথম কমিক বই। ১৮৩৭ সালে জেনেভায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৮৪০ সালে আমেরিকা ও লন্ডনে কোনো ধরনের লাইসেন্স ছাড়া ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়। ২০ শতকে পা দেওয়ার ৬০ বছর আগে কমিকের একদম নতুন যে যাত্রা শুরু হয়েছিল সেই ‘ভিক্টোরিয়ান কমিকস’ নিয়ে আজও আলোচনা হয়।

আধুনিক কমিকের যাত্রা

কমিক দুনিয়ায় Obadiah Oldbuck অথবাthe Yellow Kid হয়তো অনেক পুরনো মনে হচ্ছে। এবার তাহলে কিছুটা আধুনিক কমিকের গল্প করা যাক। প্রথম যখন কমিক বই আকারে বাজারে আসে, এরপর একইভাবে নতুন যাত্রা শুরু করে Katzenjammer Kids, Happy Hooligan, Ges Mutt & Jeff। ১৯২২ সালে কিং ফিচার প্রথম ‘Comics Monthly নামে মাসিক কমিক বই প্রকাশ করে। সে ধারা এখনো চলছে।

১৯৩৩ সালে, ইস্টার্ন কালার প্রিন্টিং প্রকাশ করে ‘Funnies on Parade’। মজার বিষয় হচ্ছে, রিপ্রিন্ট হলেও নিউজস্ট্যান্ডে রেখে এগুলো বিক্রি করা হতো না। বরং গ্রাহকদের কাছে বিনামূল্যে প্রচারের জন্যই বইগুলো ছাপানো হতো। এটাই প্রথম প্রিন্টেড কমিক ছিল যেটা আসল সাইজ অর্থাৎ ৬-৫/৮ ইঞ্চি প্রস্থ এবং ১০-১/৪ ইঞ্চি উচ্চতা হিসেবে বানানো হয়েছিল। ইস্টার্ন কালারের বিক্রেতা একটি সংবাদপত্র ভাঁজ করে চার ভাঁজ করেন। সিদ্ধান্ত নেন সেই মাপেই হবে কমিক বইয়ের আকৃতি। গ্রাহকের কাছে একটু ভিন্ন মাপের বই সহজে আকর্ষিত হবে বলেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বলাবাহুল্য, তার নেওয়া সিদ্ধান্ত মোটেও ভুল ছিল না। কারণ এখনো এটাকেই কমিক বইয়ের সঠিক আকৃতি বলে মানা হয়।

একই বছর ইস্টার্ন কালার টিম ‘ÔFamous Funnies: A Carnival of Comics’ নামে আরও একটি বই বাজারে নিয়ে আসে। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, এটাই প্রথম আমেরিকান কমিক বই।

কমিক দুনিয়ায় ব্যাপক ও সফল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে এমন নাম বলতে হলে সবার আগে বলতে হবে ডিসি কমিকসের কথা। এই নামটিকে বলা হয় কমিক দুনিয়ার বেস্টসেলিং টাইটেল। ১৯৩৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, তারা তাদের প্রথম পাবলিকেশন ‘Action Comics #1 প্রকাশ করে। এটি ছিল প্রথম কমিক বই যেটার মতো আর কখনো কোনো বই প্রকাশিত হয়নি। তিন বছর পর একদম নতুন চরিত্র নিয়ে তারা প্রকাশ করে ‘New Fun #1’। জন্ম নেয় প্রথম সুপারহিরো ‘সুপারম্যান’। এরপরই বদলে যায় কমিক দুনিয়ার ইতিহাস।

১৯৯৬ সালে অ্যালেক্স রোজের ‘কিংডম কাম’ আধুনিক কমিক জগতে নতুন একটি যাত্রা শুরু করে। সুপারহিরো ও ভিজিল্যান্টিদের (নজরদারি গ্রুপের সদস্য) মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ে বানানো হতো এসব গল্প। কমিক বুক প্রকাশকরা নতুনভাবে একত্র হয়ে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করে। এরই মধ্যে ‘মার্ভেল’কেও আইনি জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ঋণ পরিশোধ করার জন্য ১৯৯৭ সালে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একত্র হয়ে ‘টয় বিজ’ নামে বাজারে আসে তারা। এ সময় তাদের বেশ কয়েকটি চরিত্রের চলচ্চিত্র স্বত্ব বিক্রি করে দিতে হয়। সনি কিনে নেয় স্পাইডার ম্যান, হাল্ক চলে যায় প্যারামাউন্টের হাতে, ২১ শতকের সেঞ্চুরি ফক্স কিনে নেয় ডেয়ারডেভিল, এক্স-ম্যান ও ফ্যান্টাস্টিক ফোরের স্বত্ব। স্বাভাবিকভাবেই মার্ভেলকে অনেক জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ‘আয়রন ম্যান’-এর সাফল্যের পর ডিজনি ২০০৯ সালে মার্ভেল কিনে নেয়।

মাঙ্গা

জাপানি কমিকস বা ফ্রাফিক নভেলের নাম মাঙ্গা। ১৯ শতকের শেষের দিকে জাপানের ফ্যাশন নিয়ে লেখা হয় মাঙ্গা। এর গল্প নেওয়া হয় অতীতের জাপানিজ আর্ট থেকে। জাপানে সববয়সী মাঙ্গা পরে। এতে সব ঘরানার যেমন অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, বিজনেস অ্যান্ড কমার্স, কমেডি, ডিটেকটিভ, ড্রামা, ইতিহাস, ভৌতিক, রহস্যময়, প্রেম, বিজ্ঞান, ফ্যান্টাসি, খেলাসহ সব বিষয়ে লেখা হয়। জাপানি ভাষা ছাড়াও অন্যান্য ভাষাতেও অনূদিত হয় মাঙ্গা। ১৯৫০ সাল থেকে, জাপানিজ পাবলিশিং ইন্ডাস্ট্রিতে মাঙ্গা অনেকখানি জায়গা দখল করে আছে। বিশ্বব্যাপী মাঙ্গার বেশ বড় একদল পাঠক আছে। ২০২০ সালে উত্তর আমেরিকার মাঙ্গা বাজারের মূল্য ছিল ২৫০ মিলিয়ন ডলার।

কোরিয়ান মানহোয়া

৯০-এর দশকে উত্তর কোরিয়ান সংস্কৃতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। এ সময়েই পরিচিত হতে থাকে কোরিয়ান মানহোয়া। জাপানের দুটো উপদ্বীপ দখল হওয়ার কারণে পরপর দুটো আঘাত এবং কঠোর সেন্সরশিপের কারণে বেশ কিছুদিন কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাদের। তবে ইন্ডাস্ট্রির ধীরে ধীরে বৃদ্ধির কারণে এবং ইন্টারনেটের সহজ ব্যবহারের জন্য মানহোয়ার পাঠক এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। অতীতে মানহোয়াকে মাঙ্গা নামে অন্যান্য দেশে বাজারজাত করা হতো। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন কোরিয়ান সংস্কৃতি মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি জানে। যার কারণে মানহোয়া আলাদাভাবেই নিজস্ব জায়গা তৈরি করে নিতে পেরেছে।

ওয়েবটুনস

দক্ষিণ কোরিয়ায় জনপ্রিয় কমিকের নাম ওয়েবটুনস। সেন্সরশিপের অনেক নিয়ম, রং ও ভিন্ন ধরনের ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট থাকার পরও স্মার্টফোন ও কম্পিউটার দুনিয়ায় এই কমিক দেখার অনেক দর্শক রয়েছে। অনেক মানহোয়া অনলাইন ওয়েবটুনসও তৈরি করছে এখন। নিজ দেশ ছাড়াও চীন, জাপান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোতেও এই কমিকের দর্শক আছে।

ইতালিয়ান কমিকস

১৯ শতকের শেষ দিকে ইতালিতে কমিকস যাত্রা শুরু করে রসবোধের গল্প হিসেবে। এরপর এতে যুক্ত হয় অ্যাডভেঞ্চারের নানা গল্প। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, হুগো প্র্যাট ও গুডো ক্রিপ্যাক্সের মতো চিত্রশিল্পীদের কারণে ইতালিয়ান কমিকস আন্তর্জাতিক পাঠককে আগ্রহী করে তোলে। Tex Willer or Dylan Dog ছিল ইতালির বিক্রি হওয়া বেস্ট কমিক বই।

মূলধারার কমিকস বইগুলো সাধারণত মাসিক হিসেবে বিক্রি হয়। সাদা-কালো পেজের বইগুলো হয় সাধারণত ১০০-১৩২ পৃষ্ঠার। বিখ্যাত চরিত্র হলে পৃষ্ঠাসংখ্যা কখনো দুশোও ছাড়িয়ে যায়। ইতালির কার্টুনশিল্পীরা শুধু তাদের দেশেই নয়, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ অনেকগুলো দেশে সরাসরি প্রভাব রেখেছেন। আমেরিকার বাইরে ইতালিতে ওয়াল্ট ডিজনির কমিক গল্প, ডোনাল্ড ডাকের সুপারহিরো সুপার ডাকের মতো অনেকগুলো চরিত্র ইতালিতে নতুন করে বানানো হয়েছে।

স্প্যানিশ কমিকস

১৩ শতকে প্রথম স্প্যানিশ কমিক Cantigas de Santa María প্রকাশিত হয়। ১৮৫৭ সালে নতুন করে প্রকাশিত হওয়ার আগ পর্যন্ত একেই বলা হয় প্রথম কমিকস। ‘টিবিও ম্যাগাজিন’ (স্প্যানিশ কমিক বুক ম্যাগাজিন, ১৯১৭-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় এটি প্রকাশিত হয়) এই মাধ্যমকে জনপ্রিয় করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

স্প্যানিশ সিভিল যুদ্ধের পর স্প্যানিশ জেনারেল ফ্র্যান্সিসকো ফ্র্যাঙ্কো বাহামোড সব ধরনের মিডিয়ার ওপর কঠোর সেন্সরশিপ যুক্ত করেন। সুপারহিরো কমিকস নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। পরে কমিক হিরোদের গল্প ঐতিহাসিক ফিকশন হিসেবে প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত স্প্যানিশ কমিকসের স্বর্ণযুগ ছিল। এটি সম্ভব হয়েছিল এডিটরিয়াল ব্রুগুয়েরা ও এডিটোরিয়াল ভ্যালেন্সিয়ানা নামে দুটি প্রকাশনা সংস্থার কারণে। এরপর থেকে আমেরিকান, ব্রিটিশ, ফ্র্যাঙ্কো-বেলজিয়ান কমিকস স্রষ্টাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে স্প্যানিশ চিত্রশিল্পীরাও কাজ করতে থাকেন।

ব্রিটিশ কমিকস

১৮৮৪ সালে প্রকাশিত Ally Sloper’s Half Holiday কমিকসটি বড়দের বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করলেও শিশুদের জন্য জায়গা তখনো শূন্য ছিল। ২০ শতকের শুরুর দিকে কিশোরদের কমিকস জনপ্রিয়তার মুখ দেখে। ১৯৩০ সালে ডিসি থমসন থেকে প্রকাশিতThe Beano I The Dandy সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটো ব্রিটিশ কমিকস বই। ১৯৫০ সালে বই দুটোর সাপ্তাহিক সার্কুলেশন পৌঁছায় দুই মিলিয়নে।

১৯৫৪ সালে টাইগার কমিকস থেকে পরিচিতি পায় Roy of the Rovers । ফুটবল খেলা নিয়ে এই কমিকসটি দুর্দান্ত জনপ্রিয়তা পায়। এ ছাড়া জনপ্রিয়তার তালিকায় আরও ছিল Eagle, Valiant, Warrior, Viz, 2000 AD। এগুলো সবই প্রকাশিত হতো ট্যাবলয়েড আকারে।

১৯৭০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে জনপ্রিয় হয় শিশুদের জন্য লেখা ‘Action’। এটি নিয়ে সে সময় হাউজ অব কমনসে আলোচনা পর্যন্ত হয়েছিল। ১৯৮০-এর দশকে, ব্রিটিশ লেখক এবং শিল্পীদের পুনরুত্থান মূলধারার কমিক বইগুলোতে প্রাধান্য লাভ করে, যাকে কমিক বইয়ের ইতিহাসে ‘ব্রিটিশ আক্রমণ’ বলা হয়। এসব লেখক ও শিল্পী নিজেদের চিন্তাধারা কমিকে তুলে নিয়ে আসেন। ব্রিটিশ মিডিয়ায় তখন সেসব কন্টেন্ট নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। কমিকের অন্ধকার যুগ বলে বিবেচনা করলেও তত দিনে কমিকস পা রেখেছিল আধুনিক দুনিয়ায়। ক্রিসমাসে প্রকাশকরা বার্ষিক কমিক প্রকাশ করা শুরু করেন। এক কথায়, কমিকের পথচলা বিস্তৃত হয় সর্বত্র।