হাতাহাতিতে জড়িয়ে শাস্তি পেলেন লিটন-লাহিরু

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচে আচরণবিধি ভাঙায় শাস্তি পেলেন লিটন দাস ও লাহিরু কুমারা।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশি ব্যাটার লিটন ও লঙ্কান পেসার লাহিরুকে শাস্তির কথা জানিয়েছে আইসিসি।

রবিবার শারজাহ অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুজন বাগ্‌যুদ্ধের পর জড়িয়ে যান হাতাহাতিতে। যে কারণে লাহিরুকে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। সঙ্গে তার নামের পাশে যোগ হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

অন্য দিকে লিটন দাস ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানার সঙ্গে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন।

ম্যাচটিতে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কা। ঘটনা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময়ের। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে কুমারার বলে আউট হয়ে যান লিটন। এরপরেই লঙ্কান পেসারকে দেখা যায় লিটনের কাছে গিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করছেন।

মৌখিক বাগযুদ্ধই হাতাহাতি পর্যায়ে পৌঁছে যায়। দুই দেশের দুই তারকাকে দেখা যায় ধাক্কাধাক্কি করছেন। শেষ পর্যন্ত বাকিরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দেন।

দুজনই আইসিসির আচরণবিধি লেভেল-১ ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। কুমারা আর্টিকেল ২.৫ ভঙ্গের দায়ে দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। এই ধারায় রয়েছে- ‘ভাষা ব্যবহার, অপমানজন অঙ্গভঙ্গি বা এমন কিছু করা অথবা আউট করার পর এমন কিছু করা যা ব্যাটারকে আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া করতে উসকে দেয়।’

আর লিটনকে আর্টিকেল ২.২০ লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। যে ধরায় রয়েছে- খেলার চেতনা পরিপন্থী আচরণ করা।

ম্যাচের দুই ফিল্ড আম্পায়ার, থার্ড ও ফোর্থ আম্পায়ার দুই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথের কাছে অভিযোগ করেন। লিটন ও কুমারা দুজনই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং শাস্তি মেনে নিয়েছেন। যে কারণে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

আইসিসির আচরণবিধি লেভেন-১ ভাঙার সর্বনিম্ন শাস্তি হচ্ছে মৌখিক তিরস্কার। আর সর্বোচ্চ শাস্তি ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা, সঙ্গে একটি বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

কোনো খেলোয়াড় ২৪ মাসের মধ্যে চারটি বা তার বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে সেটি সাসপেনশন পয়েন্টে পরিণত হবে। দুটি সাসপেনশন পয়েন্ট মানে ওই খেলোয়াড় একটি টেস্ট, দুটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টিতে নিষিদ্ধ হবে। ওই খেলোয়াড়ের জন্য যে সংস্করণ আগে আসবে, সেটিতেই এই শাস্তি কার্যকর হবে।