কোচিং স্টাফের সমালোচনায় মাশরাফী, গিবসন বললেন ‘কিছু যায় আসে না’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর বাংলাদেশ দলের সমালোচনা হচ্ছে। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দুটি ক্যাচ ছাড়ায় কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে লিটন দাসকে। তবে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা প্রশ্ন তুলেছেন কোচিং স্টাফের সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে।

আর এ প্রেক্ষিতে টাইগারদের বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের কথা, ‘দলের বাইরের কে কী বলছে, সেসবে কিছু যায়-আসে না।’

টাইগারদের ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে মঙ্গলবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফীর বক্তব্য নিয়ে গিবন বলেন, ‘এটা নিয়ে আমার একদমই ভাবনা নেই। আমাদের বৃত্তের বাইরে কে কী বলল, তা নিয়ে কোনো আগ্রহ বা ভাবনা নেই।’

এই ক্যারিবিয়ান আরো বলেন, ‘কোচিং গ্রুপ হিসেবে আমরা কী করছি, তা আমাদের জানা আছে। তো, দলের বাইরের কে কী বলছে, সেসবে কিছু যায়-আসে না।’

সুপার টুয়েলভ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭১ রানের পুঁজি নিয়েও হেরে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচে বোলার ব্যবহার নিয়ে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সমালোচনা হচ্ছে। আর গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্যাচ ফেলায় লিটন তো রীতিমতো খলনায়ক। চারিথ আসালাঙ্কা ও ভানুকা রাজাপাকসের ক্যাচ ফেলেছিলেন লিটন। সেই দুজনই বাংলাদেশের কাছ থেকে ম্যাচ বের করে নেন।

এসব নিয়ে দীর্ঘ ফেইসবুক পোস্টে মাশরাফী লিখেন, ‘স্রেফ দল সফল না হওয়ার কারণে, এই দুজনকে (মাহমুদউল্লাহ ও লিটন) এতটা তুলাধুনা করা কতটা ঠিক, আমি শিওর না। ঠিক এ কারণেই আমার মনে হয়েছে, যদি কোচ এ বিষয়ে রিয়াদের সাথে কথা না বলে থাকে, তাহলে তো ব্রেকের সময় দলের টিম বয়কেই মাঠে পাঠিয়ে দেওয়া যায় হাই-হ্যালো করতে, কোচের আর প্রয়োজন কী!’

বাংলাদেশ ইনিংসে স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটের সময় কোচ কি ভূমিকা রেখেছেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন মাশরাফী। লিটনের ক্যাচ ফেলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকের ভূমিকায় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

বাংলাদেশ দলের কোচিং প্যানেলে এখন দক্ষিণ আফ্রিকানদের আধিক্য। এই প্রোটিয়া বহর নিয়ে মাশরাফীর কথা, ‘এখন টিম ম্যানেজমেন্ট দেখলে মনে হয় একটা রিহাব সেন্টার, যেখানে সাউথ আফ্রিকার সব চাকরি না পাওয়া কোচগুলো এক সাথে আমাদের রিহাব সেন্টারে চাকরি করছে।’

‘এদের বাদ দেওয়া আরো বিপদ, কারণ চুক্তির পুরো টাকাটা নিয়ে চলে যাবে। তাহলে দাঁড়াল কি, তারা যত দিন থাকবে আর মন যা চাইবে, তাই করবে।’