সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন কুইন্টন ডি কক। জানালেন, হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদ জানাতেও তার আপত্তি নেই।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গত মঙ্গলবার আবুধাবিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেননি দক্ষিণ আফ্রিকান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ডি কক। ম্যাচের আগে সবার সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
উইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগে দ. আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড (সিএসএ) সকল খেলোয়াড়ের প্রতি নির্দেশিকা জারি করে। যেখানে বলা হয়, বিশ্বকাপের বাকি সব ম্যাচ শুরুর আগে প্রোটিয়াদের বাধ্যতামূলকভাবে হাঁটু গেড়ে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সংহতি জানাতে হবে।
কিন্তু বোর্ডের সিদ্ধান্ত মানেননি ডি কক। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠে। ২৮ বছর বয়সী তারকা বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন, এমনটা ভাবা হচ্ছিল। অনেকে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে এই ঘটনার ৪৫ ঘণ্টা পর, কেন হাঁটু গেড়ে সংহতি প্রকাশ না করে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডি কক। সমর্থকদের কষ্ট, সংশয় ও রাগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার সকালে এক বিবৃতিতে প্রোটিয়া তারকা অঙ্গীকার করেন, ভবিষ্যতে তিনি হাঁটু গেড়ে বসবেন।
ডি কক বলেন, ‘সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে আমি শুরু করতে চাই। আমি কখনো এমন ইস্যু তৈরি করতে চাইনি। আমি বুঝতে পারছি, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর গুরুত্ব। খেলোয়াড় হিসেবে এমন উদাহরণ সৃষ্টির বিষয়টিও বুঝতে পেরেছি।’
তিনি আর বলেন, ‘যদি আমি হাঁটু গেড়ে বসলে অন্যদের জন্য তা শেখার বিষয় হয় এবং জীবনকে আরও ভালো করতে সহায়তা করে, তবে তা আমি আনন্দচিত্তেই করব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে না খেলে আমি কাউকে অসম্মানিত করতে চাইনি। যে কষ্ট, সংশয় ও রাগ আমার কারণে সৃষ্ট হয়েছে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’