ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চাইলেন মুরাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা ডা. মুরাদ হাসান এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টায় তার ভেরিফায়েড ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এ ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি। সেখানে ডা. মুরাদ লিখেছেন, ‘আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি অথবা আমার কথায় মা-বোনদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরতœ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবো আজীবন। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’

রাষ্ট্রধর্ম ও ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বক্তব্য দিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। এরপর বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি। শেষ মন্তব্য করেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ও নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে। সর্বশেষ চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও নায়ক ইমনের সঙ্গে কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁসের ঘটনায় বিপাকে পড়েন ডা. মুরাদ। সেখানে তিনি আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেন, মাহিকে তুলে নেওয়া ও ধর্ষণের হুমকি দেন। গত সোমবার এ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সে রাতেই তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে গতকাল মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন ডা. মুরাদ। এমনকি জেলা আওয়ামী লীগ থেকেও তাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব করা হয়।

২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি। মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য। তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।