মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্থানীয় সাংসদের ছোট ভাই ইফতেখার আহমেদ বদরুলের বিরুদ্ধে ৮০ লাখ টাকায় নৌকার মনোনয়ন কেনার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ করেছেন নৌকা বঞ্চিত বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেল আহমেদ তরফদার।
বুধবার রাতে রহিমপুরস্থ নিজ বাড়িতে তার নির্বাচনী মতবিনিময় সভার বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি। তার এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ও আওয়ামী লীগের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মতবিনিময়কালে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জুনেল আহমেদ তরফদার বলেন, উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিতে কেন্দ্রের নির্বাচনী মনোনয়ন বোর্ডে তাকে ১ নম্বর রেখে উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগ তালিকা পাঠায়। সেই তালিকার মন্তব্য কলামে বর্তমান চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুলকে নৌকা বিরোধী উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, আমি নৌকার পক্ষে কাজ করলেও নৌকা পাইনি। যিনি নৌকা পেলেন তিনি বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি নৌকা পেয়েছেন তার ভাই স্থানীয় সাংসদ বলেই। তিনি কেন্দ্রে ৮০ লাখ টাকা ব্যয় করে নৌকা প্রতীক এনেছেন। আমি স্বতন্ত্র হিসাবে চেয়ারম্যান পদে লড়ব। যদি ইউনিয়নবাসী আমার সঙ্গে থাকেন তবে ৮০ লাখ টাকা ওজনের কাগজ (নৌকার মনোনয়ন পত্র) মূল্যহীন হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, ৫ম ধাপে কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ৫ বারের নির্বাচিত বর্তমান চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমদ বদরুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেল আহমদ তরফদার ও বিকাশ পাল। প্রার্থিতা বাছাই করে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ জুনেল আহমদকে ১ নম্বরে রেখে তিনজনের নাম কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডে তালিকা পাঠালে নৌকার মনোনয়ন পান বর্তমান চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমদ বদরুল।