তামহা সিকিউরিটিজে গ্রাহক হিসাবে গরমিল

বানকো সিকিউরিটিজের পর এবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য তামহা সিকিউরিটিজে গ্রাহকের অর্থ গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ জানিয়েছেন সিকিউরিটিজ হাউজটির মালিক হারুনুর রশিদ। ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মকর্তারা গ্রাহক হিসাবে গরমিল করে থাকতে পারে বলে ডিএসইর কাছে জানিয়েছেন তিনি। ব্রোকারেজ হাউজটির মালিকের লিখিত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এবং বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে তামহা সিকিউরিটিজের লেনদেন স্থগিত করেছে ডিএসই। গতকাল ডিএসই এ তথ্য জানিয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তামহা সিকিউরিটিজের দুটি সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে দেড় কোটি ও ৯ কোটি টাকার গরমিল পাওয়া গেছে। হিসাবে গরমিল ধরা পড়ার পর সিকিউরিটিজ হাউজটি মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ নিজে চিঠি দিয়ে ডিএসইর কাছে সহায়তা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।

তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ব্রোকারেজ হাউজটির মালিকপক্ষ পরিচালনার সঙ্গে জড়িত নয়। ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মকর্তারা হিসাবে গরমিল করে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করে তামহা সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডিএসইর কাছে সহায়তা চেয়েছেন। মালিক পক্ষ ব্রোকারেজ হাউজটি বিক্রি করার জন্য নিরীক্ষা চালাতে গিয়েছিলেন। আর তাতেই গ্রাহক হিসাবে গরমিল ধরা পড়ে। এখন এসইসির নির্দেশে লেনদেন বন্ধ করে সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এর আগে গত ৭ জুন বানকো সিকিউরিটিজে বিশেষ পরিদর্শন করে সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ৬৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার ঘাটতি পাওয়া যায়।