করোনার নতুন ওমিক্রন ধরনের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা গড়ে তোলে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার বুস্টার ডোজ। স্বল্পপরিসরে চালানো এক গবেষণা শেষে গত বুধবার প্রতিষ্ঠানটি বলছে, করোনার অন্য ধরনগুলোর বিরুদ্ধে টিকার দুটি ডোজ যে পরিমাণ সুরক্ষা দিয়ে এসেছে, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে একই সুরক্ষা পেতে প্রয়োজন হবে বাড়তি একটি ডোজের। খবর বিবিসির।
করোনার নানা ধরনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ওমিক্রনের জিনগত রূপান্তর সবচেয়ে বেশি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের সংশয় ছিল প্রচলিত টিকা হয়ত নতুন এ ধরনের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। তবে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার পর মারাত্মক শারীরিক জটিলতা রুখতে কাজ করবে টিকাগুলো।
এক বিবৃতিতে ফাইজারের প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট বোরলা বলেন, ‘টিকার বাড়তি একটি ডোজ ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়াবে। এজন্য করোনার বিস্তার ঠেকাতে যত বেশি সম্ভব মানুষকে টিকার পূর্ণ ডোজ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সর্বোত্তম উপায় হিসেবে রয়েছে বুস্টার ডোজ।’
ফাইজার-বায়োএনটেক বলছে, টিকার তৃতীয় একটি ডোজ নিলে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ২৫ শতাংশ বাড়ে। এর ফলে আগে দুই ডোজ টিকা নিলে যে সুরক্ষা মিলত, এখন তিন ডোজ নিলে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে একই সুরক্ষা মিলবে।
তবে গবেষণার এ ফল প্রাথমিক বলে জানিয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেক। এ-সংক্রান্ত আরও তথ্য সংগ্রহ এবং করোনার বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে গবেষণার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
আগে ফাইজার-বায়োএনটেক জানিয়েছিল, ওমিক্রন ধরনের জন্য আলাদা একটি টিকা তৈরি করছে তারা। অনুমোদন পেলে তা ১০০ দিনের মধ্যেই বাজারে আসবে।