চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে হাতি হত্যার অভিযোগে দুজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বাঁশখালী সিনিয়র জুড়িশিয়াল আদালতের বিচারক মো. মাইনুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন।
দেশে প্রথম হাতি হত্যার দায়ে এ দুজনকে কারাগারে পাঠানো হলো।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (দক্ষিণ) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাঁশখালীর লটমনিতে হাতি হত্যার ঘটনায় দায়ের মামলায় দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার এ মামলায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য এলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর বাঁশখালীতে লটমনিতে বৈদ্যুতিক শটসার্কিটের মাধ্যমে হাতিটিকে হত্যা করা হয়। পরে আসামি কামাল ও নেজাম হাতিকে মাটিচাপা দেন। পরবর্তীতে বনবিভাগ বাদী হয়ে মামলা করলে বাঁশখালীতে আমলি আদালত আসামি বাবা মো. কামাল ও ছেলে মো. নেজামকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
উল্লেখ্য এক মাসে সাতকানিয়া, চকরিয়া, ঈদগাহ ও বাঁশখালীতে বিভিন্ন কারণে ৫ হাতির মৃত্যু হয়। শুধু বাঁশখালীতেই ১৯ দিনের ব্যবধানে দুই হাতির মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাতেই বাশঁখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি পাহাড়ি এলাকায় একটি হাতির মৃত্যু হয়। গত ১২ নভেম্বর উপজেলার পূর্ব চাম্বল ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট বিল এলাকা থেকে আরেকটি হাতির মরদেহ উদ্ধার করে বনবিভাগ। আগে হাতিটি মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। পরে আমরা মৃত হাতিটিকে মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করি।
এ ব্যাপারে বনবিভাগের কালীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলা উদ্দিন বলেন, হাতি হত্যার দায়ে বনবিট কর্মকর্তার দায়ের করা মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তার মধ্যে বাবা ও ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে গাঠানো হয়েছে।