নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় চলন্ত বাসে এক তরুণীকে (২১) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে চালক ও তার দুই কিশোর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় গতকাল সোমবার এই তিনজনকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেন ওই তরুণী। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
বন্দর থানা সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাসচালক নুরুল হক (২১)। অন্য দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। বাসচালক নুরুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জ মশিরা এলাকায়।
থানায় ওই তরুণীর করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থেকে রূপগঞ্জের উদ্দেশে ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবহন’ নামের একটি বাসে উঠেছিলেন। চিটাগাং রোড এলাকায় বাসের অন্য যাত্রীরা নেমে যান। বাসটি বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় এলে বাসের চালক, কনডাক্টর ও হেলপার তাকে ধর্ষণ করে। পরে কৌশলে বাস থেকে নেমে ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। অভিযুক্ত তিনজনকেও তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশ।
বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ‘বাসে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের খবর পেয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ওই নারী তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। চিকিৎসার জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, আটক তিনজনের মধ্যে দুজন কিশোর। চালক নুরুল হককে সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে দেশ রূপান্তরের মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, গত রবিবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার পোস্টকামুরী এলাকায় ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় একই এলাকার অনিক (১৮) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মির্জাপুর থানা পুলিশ জানায়, ওই এলাকার বাক্কা মিয়ার ছেলে অনিক ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ঘরে ঢুকে ওই শিশুটিকে (১১) ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন ঘটনাটি জানতে পেরে মির্জাপুর থানায় অবহিত করে। গতকাল সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুবল হোসেন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর ওই শিশুটিকে মেডিকেল চেকআপের জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মির্জাপুর থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, ‘শিশু ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’