জেলার পরশুরামে মির্জানগর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জমান ভুট্টোর নেতৃত্বে হামলায় শাহীন চৌধুরী নামের এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের স্ত্রী ফিরোজা আক্তার বাদী হয়ে মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান পলাতক রয়েছেন।
নিহত শাহীন চৌধুরীর দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ভুট্টোর নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় শাহীনের ওপর। পিটুনিতে মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শাহীনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহীন পরশুরাম বাজারের একটি দোকানে কাজ করতেন। সেখান থেকে হার্ডওয়্যারের ৭ লাখ টাকার মালামাল বাকিতে কেনেন চেয়ারম্যান নুরুজ্জমানের সহযোগী হাসেম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পরশুরাম উত্তর বাজারে হাসেমের কাছে পাওনা টাকা চাইলে তিনি ফোন করে চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ভুট্টোকে ডেকে আনেন। পরে হাসেম, নুরুজ্জামান ভুট্টো ও তাদের সহযোগীরা শাহীনকে বেধড়ক মারধর করে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে পরশুরাম থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।