ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।
বরিশাল নৌ-ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল রবিবার সকাল ৯টায় উদ্ধার কাজ শুরু করে।
নৌ-ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি লিডার হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের ফায়ার সার্ভিসের মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছে যাতে কেউ কোনো স্থানে লাশের খবর পেলে আমাদেরকে দ্রুত জানাতে পারে।’
এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো লাশের সন্ধান মেলেনি বলেও জানান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৩৮ যাত্রী নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮৫ জন।
এদিকে সকাল থেকে ট্রলার নিয়ে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে নদীর তীরে তীরে ঘুরছেন বরগুনা থেকে আগত স্বজনরা। তবে বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত নতুন করে সুগন্ধা নদীতে কোনো লাশের সন্ধান মেলেনি।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ঝালকাঠির স্বেচ্ছাসেবকেরা পৌর মিনি পার্কে এ পর্যন্ত নিখোঁজ ৫১ জনের তালিকা পেয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তবে ঝালকাঠি লঞ্চঘাট এলাকায় পুলিশ একটি তথ্য কেন্দ্র খুলেছে, সেখানে তাদের তালিকায় ৪১ জন নিখোঁজের তালিকা রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের বরগুনা জেলা উপসহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সকাল নয়টায় আমরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেছি। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও নদীর নিচে স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযানে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এ ছাড়া ঠান্ডার কারণে লাশ ভেসে উঠতে একটু বেশি সময় লাগছে।
তিনি বলেন, আমরা নদীর পড়ের বাসিন্দাদের ফায়ার সার্ভিসের মোবাইল নম্বর দিয়েছি যাতে কেউ কোনো জায়গায় লাশের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিক যেন আমাদের জানাতে পারে।