প্রায় সব ভিটামিনেরই একটি টক্সিক মাত্রা আছে। এই মাত্রার ওপর ভিটামিন সেবন অবশ্যই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন ধরে অকারণে উচ্চমাত্রার ভিটামিন খাওয়া থেকে বিপদ হতে পারে।
জেনে নিন এ বিষয়ে
ক্যালসিয়াম : অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম খেলে রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনিতে পাথরসহ আরও কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ভিটামিন-এ : উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ সেবন গর্ভবতী নারীদের জন্য বিপজ্জনক। কেননা টক্সিক মাত্রায় ভিটামিন-এ অনাগত শিশুর নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। দুর্ঘটনাবশত হঠাৎ বেশি ভিটামিন-এ খেয়ে ফেললে যকৃৎ, হাড়ের ক্ষতি বমি, মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা হতে পারে।
ভিটামিন-সি : এক গ্রামের বেশি ভিটামিন-সি একসঙ্গে খেয়ে ফেললে ডায়রিয়া হতে পারে।
লৌহ : আয়রন বা লৌহজাতীয় বড়ি গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে। থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত হিমোগ্লোবিন ত্রুটি আছে, এমন রোগী আয়রন খেলে যকৃৎ, মস্তিষ্ক ও বিভিন্ন গ্রন্থিতে অতিরিক্ত আয়রন জমে অকার্যকারিতা দেখা দিতে পারে। এদের আয়রন বড়ি খাওয়া নিষেধ। বেশি মাত্রায় আয়রন যেকোনো মানুষের পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা এবং শিশুরা বেশি আয়রন খেয়ে ফেললে বিষক্রিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
জিংক : মাল্টি ভিটামিন বড়িতে জিংক থাকে। জিংক একটি প্রয়োজনীয় ও উপকারী উপাদান। কিন্তু অতিরিক্ত জিংক দেহে স্বাভাবিক লৌহ ও কপারের শোষণ কমিয়ে দিয়ে রক্তশূন্যতার সৃষ্টি করতে পারে।
ভিটামিন-বি : ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স স্নায়ু ভালো রাখে বলা হলেও অতিরিক্ত সেবনে স্নায়ুর ক্ষতিও হয়।
ভিটামিন-ডি : মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন-ডি, বিশেষ করে কোলেক্যালসিফেরল রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।