সাফারি পার্কের নতুন ৭ অতিথি ‘লাফিং কোকাবুরা’

অনুমতি ছাড়া দেশে আনা অস্ট্রেলীয় ৭ লাফিং কোকাবুরা পাখি গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে যুক্ত হয়েছে।

এর আগে আমদানিকারকরা অন্য পাখির আড়ালে অনুমতি ছাড়া দেশে নিয়ে এলে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের একটি দল ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অভিযান চালিয়ে এ গুলো উদ্ধার করে।

বন্য প্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আমদানিকারকদের কাছে এনওসি (নো অভকেশন সার্টিফিকেট) না থাকায় কাস্টমস এগুলো জব্দ করে। পরে যাবতীয় আইনগত কাজ শেষে করে মঙ্গলবার রাতে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ তা বুঝে নেয়। এখন পাখিগুলো পার্কের কোয়ারেন্টাইন জোনে রাখা হয়েছে।

নির্দিষ্ট সময় শেষে পাখিগুলো দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান, পাকের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান।  

বন্য প্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা জানান, ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর দিয়ে নিয়মিত অনুমতি ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে পাখি আমদানি করে পাখি ব্যবসায়ীরা। সকল পাখি আমদানির ক্ষেত্রেই এনওসি নিতে হয়। এনওসি ছাড়া কোনো পশু পাখি আমদানি করা যায় না। এ সাতটি লাফিং কোকাবুরা পাখির ক্ষেত্রে এনওসি ছিল না বলে কাস্টম কর্তৃপক্ষ জব্দ করে। ম্যাকাও ও কোকাটেল পাখি আমদানির আড়ালে প্রতারণা করে এগুলো আমদানি করছিল একটি প্রতিষ্ঠান। সিনান বার্ড ফার্মিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান নেদারল্যান্ডস থেকে কার্গো বিমান যোগে পাখিগুলো আনে।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. তবিবুর রহমান জানান, পার্কের সাতটি নতুন অতিথি হলো লাফিং কোকাবুরা পাখি। এ পাখিগুলো অস্ট্রেলিয়ান। পাখিগুলো বুঝে নিয়ে পার্কে কোর সাফারি বেষ্টনীর ভেতর বন্য প্রাণী হাসপাতালের পাশে কোয়ান্টোইন জোনে ১৫ দিন রাখা হবে। নির্দিষ্ট সময় শেষে কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে পরবর্তী কাজ করা হবে।